ভারতে সকালে স্নান, চীন-জাপানে রাতে! বিজ্ঞান কী বলছে—কখন স্নান করলে বেশি উপকার?

ভারতে প্রাচীনকাল থেকেই ভোরবেলা স্নান করার রীতি প্রচলিত, যা শাস্ত্র ও বেদে স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর বলে গণ্য করা হয়। তবে জাপান, চিন ও কোরিয়ার মতো এশীয় দেশগুলোতে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে রাতে স্নান করাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। মূলত সারা দিনের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে সতেজ রাখতেই এই ভিন্ন অভ্যাস।
ভিন্ন সংস্কৃতির এই পার্থক্যের পেছনে বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে। পূর্ব এশীয় দেশগুলোতে বিশ্বাস করা হয় যে, রাতে স্নান করলে শরীর থেকে সারা দিনের বিষাক্ত পদার্থ ও ঘাম দূর হয়, যা ত্বকের সংক্রমণ রোধে সহায়ক। অন্যদিকে, পশ্চিমা দেশগুলোতে সকালে স্নান করাকে দিন শুরুর শক্তি ও সতেজতার উৎস হিসেবে দেখা হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে, দুই সময়েরই নিজস্ব উপকারিতা রয়েছে। সকালে স্নান করলে কাজে সক্রিয়তা বাড়ে, আর রাতে উষ্ণ জলে স্নান করলে পেশি শিথিল হয় এবং অনিদ্রা দূর হয়ে গভীর ঘুম নিশ্চিত হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আবহাওয়া ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে স্নানের সময় নির্বাচন করা উচিত, তবে সুস্বাস্থ্যের জন্য উভয় সময়েরই গুরুত্ব অপরিসীম।