ওজন কমাতে ক্যাপসিকাম-লেটুস-শসার সালাদ- ১ঝলক

অতিরিক্ত ওজন দেহের জন্য কখনই মঙ্গল বয়ে আনে না। অসংক্রামক অনেক রোগের জন্য বাড়তি ওজন দায়ী। অস্বাস্থ্যকর বিভিন্ন খাবার সহ প্রসেস ফুড খাওয়ার অভ্যাস দিন দিন দেহের ওজন বাড়িয়ে তোলে। যার ফলে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ সহ নানা অসংক্রামক ব্যাধি বেড়েই চলছে।

তবে অনেকেই ওজন কমাতে চায় ঠিকই, কিন্তু খাওয়ার সময় সেটা মনে থাকে না। ফলে ওজনও কমে না। তবে নিয়মিত পেট ভরে খেয়েও ওজন কমানো সম্ভব। এজন্য দিনে অন্তত একবার সালাদ খেতে হবে।
কম ফ্যাট, কম ক্যালোরি এবং জলযুক্ত সবজি ও ফল যেমন ক্যাপসিকাম, লেটুস পাতা, শসা, টমেটো, গাজর, পেঁয়াজ, তরমুজ, আঙ্গুর, আম, স্ট্রবেরি দিয়ে সালাদ খেতে পারেন।
কারণ সালাদ ফাইবারের ভালো উৎস, এতে হজমশক্তি বাড়ে। নিয়মিত সালাদ খেয়ে আপনি ওজন কমাতে পারবেন।
পাঠক, আজকের আলোচনায় থাকছে ক্যাপসিকাম-লেটুস-শসার সালাদের রেসিপি।
চলুন জেনে নওয়া যাক যেভাবে তৈরি করবেন এই সালাদ…
উপকরণ
> লেটুস পাতা: ১ বাটি,
> সবুজ ক্যাপসিকাম: ১টি
> কাঠবাদাম/ পেস্তাবাদাম/ আখরোট/ চীনাবাদাম: ১ মুঠ
> টমেটো: ১টি
> শসা: অর্ধেক
> ভিনেগার: ১/২ টেবিল চামচ
> এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল (ঐচ্ছিক): ২ চা চামচ
> কালো গোলমরিচ গুঁড়ো: ১/৪ টেবিল চামচ
> দারুচিনি গুঁড়ো: ১ চিমটি
> রসুন ছেঁচা: ১-২ কোয়া
> জিরা গুঁড়ো: ১/২ চা চামচ
> মধু: ১ টেবিল চামচ
> লবণ: পরিমাণমতো
সালাদ সাজানোর উপকরণগুলো একসাথে মিশিয়ে ঝাঁকিয়ে নিন। সালাদে ব্যবহার করার আগপর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে রাখুন।
প্রণালি
সব সবজি ধুয়ে নিন। শসা খোসা ছাড়িয়ে পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন। টমেটো ও ক্যাপসিকাম মাঝখান দিয়ে কেটে ভেতরের শাঁস ফেলে পাতলা স্লাইস করে কেটে নিন। এবার শসা টমেটো ক্যাপসিকাম এবং লেটুস পাতা ছিঁড়ে একটি বড় বাটিতে নিন। সব উপকরণ ভালোভাবে নেড়েচেড়ে মিশিয়ে একটি প্লাস্টিকের প্লেট দিয়ে ঢেকে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। পরিবেশন করার আগে সালাদের বাটিতে সালাদ সাজানোর উপকরণ মিশিয়ে নিন। কাঠবাদাম/ পেস্তাবাদাম/ আখরোট/ চীনাবাদাম ওপরে ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।
(হৃদরোগীরা বাদাম বাদ দিয়ে তৈরি করবেন)