শীতের অসুখ দূরে রাখতে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে ককড়াশৃঙ্গী, জানুন বাবা রামদেবের পরামর্শ

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ককড়াশৃঙ্গী একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভেষজ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে শীতকালীন সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং ফুসফুসের সমস্যায় এটি অব্যর্থ কাজ করে। যোগগুরু বাবা রামদেব জানান, এই ভেষজটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ভেতর থেকে শক্তি জোগায়। ককড়াশৃঙ্গীর উষ্ণ প্রভাব শরীরের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা দূর করে এবং কফ বের করে দিয়ে শ্বসনতন্ত্রকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি দূর করতেও এটি দারুণ কার্যকর। বাবা রামদেবের পরামর্শ অনুযায়ী, ২৫০ থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম ককড়াশৃঙ্গীর চূর্ণ মধুর সাথে মিশিয়ে নিয়মিত সেবন করলে শীতকালীন সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। শিশুদের ক্ষেত্রে এর মাত্রা ১০০ থেকে ১৫০ মিলিগ্রাম হওয়া উচিত। এই প্রাকৃতিক দাওয়াইটি ফুসফুসকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি হাঁজল ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির উপশমে বিশেষ ভূমিকা পালন করে সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।