বিয়ের ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রীর বয়সের আদর্শ ব্যবধান কত হওয়া উচিত জানুন বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা

বিয়ের ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রীর বয়সের আদর্শ ব্যবধান কত হওয়া উচিত জানুন বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা

দাম্পত্য জীবনে স্বামী ও স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে সমাজে নানা প্রচলিত ধারণা রয়েছে। প্রথাগতভাবে তিন থেকে পাঁচ বছরের ব্যবধানকে আদর্শ মনে করা হলেও বর্তমান যুগে এই সমীকরণ অনেকটাই বদলেছে। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শারীরিক ও মানসিক পরিপক্বতা এখানে মূল ভূমিকা পালন করে। হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে মেয়েরা সাধারণত ছেলেদের তুলনায় দ্রুত পরিপক্ব হয়ে ওঠে, যার ফলে সমাজে স্বামীকে বয়সে বড় হওয়ার প্রথা তৈরি হয়েছে। তবে ভারতে আইনগতভাবে এই ন্যূনতম ব্যবধান তিন বছর রাখা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে শাহিদ-মীরা কিংবা প্রিয়াঙ্কা-নিকের মতো দম্পতিরা প্রমাণ করেছেন যে, বয়সের বিশাল পার্থক্য বা স্ত্রীর বয়স বেশি হওয়া সত্ত্বেও সুখী দাম্পত্য সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিয়ের সাফল্য শুধুমাত্র জন্মতারিখের ব্যবধানের ওপর নির্ভর করে না। বরং পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং মানসিক বোঝাপড়াই একটি মজবুত সম্পর্কের আসল ভিত্তি। বিজ্ঞান এবং সমাজ উভয়ই এখন মানছে যে, বয়সের পার্থক্যের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো দুই সঙ্গীর মধ্যে চিন্তাভাবনার সামঞ্জস্য এবং একে অপরের প্রতি সংবেদনশীলতা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *