প্যাকেটজাত খাবারে বাড়ছে ঝুঁকি! ঘরে তৈরি এই খাবারেই লুকিয়ে শিশুর সুস্থতার চাবিকাঠি

প্যাকেটজাত খাবারে বাড়ছে ঝুঁকি! ঘরে তৈরি এই খাবারেই লুকিয়ে শিশুর সুস্থতার চাবিকাঠি

ব্যস্ত জীবনে শিশুর স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করছেন না তো? প্যাকেটজাত বা প্রক্রিয়াজাত খাবারে থাকা প্রিজারভেটিভ ও অতিরিক্ত চিনি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করতে পারে। অথচ মাত্র কয়েক মিনিটেই বাড়িতে তৈরি করা সম্ভব পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাবার।

ঝটপট তৈরি করুন পুষ্টিকর শিশু খাদ্য

  • ফলের পিউরি: পাকা কলা, পেঁপে বা ভাপানো আপেল চটকে মাত্র ২ মিনিটেই তৈরি হয় এই আদর্শ খাবার। মিশ্রণটি নরম করতে সামান্য দুধ মেশাতে পারেন।
  • ওটস বা সুজি: জল বা দুধে ওটস ফুটিয়ে তার সঙ্গে চটকানো ফল মিশিয়ে দিন। এটি ৫ মিনিটের মধ্যেই শিশুর পেট ভরিয়ে দেবে।
  • সবজি খিচুড়ি: চাল, মুগ ডাল, গাজর ও মিষ্টি কুমড়ো একসঙ্গে সেদ্ধ করে চটকে নিন। এটি প্রোটিন ও ভিটামিনের সেরা উৎস।
  • সেদ্ধ সবজি: আলু, ব্রকলি বা মটরশুঁটি ভাপিয়ে নিয়ে হালকা চটকে শিশুকে দিন। এটি হজমে সহজ এবং পুষ্টিতে ভরপুর।

কেন ঘরের খাবারই সেরা

বাড়িতে তৈরি খাবারে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক বা প্রিজারভেটিভ থাকে না। টাটকা খাবার শিশুর হজমশক্তি বাড়ায় এবং অ্যালার্জির ঝুঁকি কমায়। এছাড়া শিশুর রুচি অনুযায়ী খাবারের স্বাদ ও ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

অভিভাবকরা যা মাথায় রাখবেন

নতুন কোনো খাবার শুরু করলে অন্তত ৩-৪ দিন সেটি পর্যবেক্ষণ করুন। এতে শিশুর কোনো খাবারে অ্যালার্জি আছে কি না তা সহজেই বোঝা যায়। খাবার তৈরির আগে হাত ও বাসনপত্র জীবাণুমুক্ত করতে ভুলবেন না। শিশুকে জোর করে না খাইয়ে তার খিদের সংকেত বুঝে অল্প অল্প করে খাওয়ানো শুরু করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *