রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষজ্ঞদের ৫টি অব্যর্থ কৌশল

বারবার জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হওয়া শরীরের দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার লক্ষণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সংক্রমণে ভোগার অর্থ হলো শরীরের অভ্যন্তরীণ ইমিউনিটি সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করছে না। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে এবং শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করতে জীবনযাত্রায় দ্রুত পরিবর্তন আনা জরুরি। সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম বা শারীরিক কসরত করা বাধ্যতামূলক।
খাদ্যতালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাছ, মাংস ও ডিম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন-সি যুক্ত ফল ও শাকসবজি, যেমন—লেবু, আপেল ও পালং শাক অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে নিয়মিত দই খাওয়া প্রয়োজন, যা ইমিউনিটি চাঙ্গা রাখতে সরাসরি সাহায্য করে।
দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতার জন্য কেবল ডায়েট নয়, রক্তচাপ, সুগার ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় থাকে। বিশেষজ্ঞদের এই পাঁচটি সহজ কৌশল মেনে চললে সাধারণ ঋতুভিত্তিক রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া এবং দীর্ঘকাল সুস্থ থাকা সম্ভব।