রাত ১২টায় ঘুমোনোর অভ্যাস? অজান্তেই বাড়ছে মারাত্মক শারীরিক ঝুঁকি

আজকাল অনেকেরই রাত ১২টা বা ১টার আগে চোখে ঘুম আসে না। তবে গভীর রাতে ঘুমোনোর এই অভ্যাস শরীরের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করছে। চিকিৎসকদের মতে, দেরিতে ঘুমালে শরীরের স্বাভাবিক ‘স্লিপ সাইকেল’ বা ঘুমের চক্র সম্পূর্ণ বিঘ্নিত হয়। এর ফলে অনিদ্রা এবং মাঝরাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, যা শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে বাধা দেয়।
নিয়মিত রাত জেগে থাকা সরাসরি প্রভাব ফেলে শরীরের পরিপাকতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ওপর। এর ফলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এমনকি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS)-এর মতো পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘক্ষণ রাত জাগলে শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি পায়, যা উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দেরিতে ঘুমানোর ফলে পরদিন সকালে উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা এবং মানসিক অবসাদ তৈরি হতে পারে। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে প্রতিদিন রাত ১১টার মধ্যে ঘুমানোর অভ্যাস করা জরুরি। সঠিক সময়ে পরিমিত ঘুমই পারে জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং মরণব্যাধি থেকে শরীরকে রক্ষা করতে।