উত্তরবঙ্গে মোদীর বিজয় সংকল্প সভা ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক পারদ

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখে উত্তরবঙ্গ থেকেই নির্বাচনী প্রচারের দামামা বাজাতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী রবিবার কোচবিহারের ঐতিহাসিক রাসমেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে তাঁর বহুল প্রত্যাশিত ‘বিজয় সংকল্প সভা’। সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে প্রধানমন্ত্রীর এই সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই পাহাড় ও সমতলের রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। কৌশলগতভাবে উত্তরবঙ্গ বরাবরই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই এখান থেকেই প্রচারের সূচনাকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সফরে এসে ‘জনতার চার্জশিট’ পেশের মাধ্যমে বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেছিলেন। শাহের সেই আক্রমণের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ময়দানে নামছেন। রবিবারের এই মেগা জনসভা থেকে তিনি কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর সুফল এবং ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’-এর একটি সামগ্রিক রূপরেখা তুলে ধরতে পারেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং প্রান্তিক মানুষের আর্থ-সামাজিক ইস্যুগুলো তাঁর ভাষণে প্রাধান্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে কোচবিহারসহ সংলগ্ন জেলাগুলোতে প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। জনসভায় ব্যাপক জনসমাগমের সম্ভাবনা থাকায় ভিড় সামাল দিতে এবং যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬-এর লড়াইয়ে মোদীর এই বিজয় সংকল্প সভা উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে। মোদীর হাত ধরে নির্বাচনী লড়াইয়ে বাড়তি গতি আনাই এখন গেরুয়া শিবিরের মূল লক্ষ্য।