সমুদ্রের গভীরে রহস্যময় গর্জন আর কত বড় বিপদের সংকেত দিচ্ছে এই অদৃশ্য শব্দদূষণ

ভারত মহাসাগরসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামুদ্রিক শব্দদূষণ যা নীল জলরাশির বাস্তুতন্ত্রকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বাণিজ্যিক জাহাজের ইঞ্জিনের বিকট শব্দ, সিসমিক এয়ার গান এবং সামরিক সোনার ব্যবস্থার কারণে সমুদ্রের স্বাভাবিক নিস্তব্ধতা আজ বিপন্ন। এর ফলে তিমি ও ডলফিনের মতো প্রাণীরা দিকনির্ণয় ও খাদ্যের সন্ধানে চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, যা অনেক সময় তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে ১৯৬০ সালের পর থেকে সমুদ্রের নিচের শব্দমাত্রা প্রতি দশকে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় জাহাজের গতি কমানো, উন্নত প্রপেলার প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সংবেদনশীল এলাকায় ‘মেরিন কোয়ায়েট জোন’ গড়ে তোলা জরুরি। ভারতের বিশাল উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এখন থেকেই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে মৎস্য শিল্প এবং সমুদ্রের প্রাকৃতিক ভারসাম্য অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে।