২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে নিয়ে বিসিসিআইয়ের মেগা পরিকল্পনা

ভারতীয় ক্রিকেটের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ হার্দিক পাণ্ডিয়াকে নিয়ে বড়সড় আপডেট দিল টিম ম্যানেজমেন্ট। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিসিসিআই। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুত ও বাউন্সি পিচে পাণ্ডিয়াকে দলের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একটি বিশেষ সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, আসন্ন ওয়ানডে ম্যাচগুলিতে হার্দিককে পুরো ১০ ওভার বল করার জন্য মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। বর্তমানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে আইপিএলে ব্যস্ত থাকলেও, জাতীয় দলের স্বার্থে তাঁকে নিজের বোলিং ওয়ার্কলোড বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপে ভারত ফাইনালে হারলেও, দক্ষিণ আফ্রিকায় হতে চলা আগামী বিশ্বকাপে কোনো খামতি রাখতে চায় না নির্বাচকমণ্ডলী। বিসিসিআই সূত্রের খবর, দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডারের উপস্থিতি দলে ভারসাম্য বজায় রাখতে অপরিহার্য। টিম ম্যানেজমেন্ট চায়, হার্দিক যেন এমন এক ফিটনেস স্তরে পৌঁছান যেখানে অধিনায়ক প্রয়োজনে তাঁর থেকে ১০ ওভারের কোটা পূর্ণ করে নিতে পারেন। যদিও কৌশলগত কারণে বেশিরভাগ ম্যাচে তাঁকে ৭ ওভারের বেশি বল করতে হবে না, তবে জরুরি পরিস্থিতিতে তিনি যেন দলের মূল বোলারের ভূমিকা পালন করতে পারেন, সেটাই লক্ষ্য।
পাণ্ডিয়া নিজেও এই বড় দায়িত্ব পালনে তৎপর। জানা গিয়েছে, তিনি ইতিমধ্যেই নেটে তাঁর ওয়ার্কলোড বাড়িয়েছেন এবং বোলিং অ্যাকশন নিয়ে নিবিড় কাজ শুরু করেছেন। গতির সঙ্গে আপস না করেই বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আনতে বিশেষ নজর দিচ্ছেন এই অলরাউন্ডার। নির্বাচকদের ভরসা জিততে এবং দলে ভারসাম্য ফেরাতে পাণ্ডিয়ার এই প্রস্তুতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আইপিএল পরবর্তী ওয়ানডে সিরিজগুলোতে তাঁর বোলিং ফিটনেস পরখ করে দেখা হবে। মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার কঠিন উইকেটে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতেই হার্দিককে ঘিরে এই বিশেষ ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।