বেডরুমে লুকানো ক্যামেরা আর অমানবিক শারীরিক নির্যাতন আগ্রার গৃহবধূর করুণ কাহিনী জানলে শিউরে উঠবেন

উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় পণের দাবিতে এক নববধূর ওপর পৈশাচিক নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের মাত্র সাত মাস পরেই শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে থানায় দ্বারস্থ হয়েছেন ওই তরুণী। তাঁর অভিযোগ, নভেম্বর ২০২৪-এ প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে ধুমধাম করে বিয়ে হলেও মন ভরেনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের। অতিরিক্ত আরও দুই কোটি টাকার দাবিতে শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার। এমনকি বেডরুমে গোপন ক্যামেরা লাগিয়ে তাঁর আপত্তিকর ভিডিও রেকর্ড করে স্বামী ব্ল্যাকমেল করত এবং জনৈক অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার চেষ্টা চালাত বলেও অভিযোগ।
পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে যখন ওই তরুণী তাঁর শ্বশুর ও শাশুড়িকে সব জানান। অভিযোগ অনুযায়ী, শ্বশুরও তাঁর শ্লীলতাহানি করেন এবং প্রতিবাদ করায় স্বামী তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুনের চেষ্টা চালায়। কোনওরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে বাপের বাড়িতে ফিরে এসে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। এসিপি পীযূষ কান্ত রায় জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন নির্যাতিতার পরিবার।