বাসে পিরিয়ডের ব্যথায় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন যে দীপক তাকেই কি মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিল সোশ্যাল মিডিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল ব্যাখ্যার শিকার হয়ে আত্মঘাতী হওয়া যুবক দীপকের চারিত্রিক সততা তুলে ধরলেন অভিনেতা হরিশ কানারান। এক স্কুলছাত্রীর স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায়, এক বছর আগে বাসে যাতায়াতের সময় ওই কিশোরীর মাসিকের অসহ্য যন্ত্রণা দেখে দীপক কেবল পাশে দাঁড়াননি, বরং তাকে সাহসও জুগিয়েছিলেন। নিজের কাছে থাকা ওষুধ দিয়ে সাহায্য করার পাশাপাশি কিশোরী যাতে পড়াশোনায় মনোযোগী হয় এবং জীবনের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে ভয় না পায়, সেই পরামর্শও দিয়েছিলেন তিনি। পুরো যাত্রাপথে দীপকের আচরণ ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সম্মানজনক।
অন্যের বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়ানো এই মানুষটিই সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশের কাছে ‘অশ্লীল’ তকমা পাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। অভিনেতা হরিশ জানান, দীপক ছিলেন অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের মানুষ, যিনি এই অন্যায় অপবাদ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। নিজের নির্দোষিতা প্রমাণের বদলে তিনি নীরব প্রস্থানকেই শ্রেয় মনে করেছিলেন। যদি এই চরম সত্যটি আজ সামনে না আসত, তবে হয়তো সমাজ একজন নিরপরাধ মানুষকে চিরকাল কাঠগড়াতেই দাঁড় করিয়ে রাখত। এটি আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রায়ালের এক করুণ পরিণতি।