কোহলি থেকে ধোনি কার পাতে কী থাকে জানলে অবাক হবেন

ভারতীয় ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও মাঠের ক্ষিপ্রতা সবসময়ই নেটিজেনদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। বিসিসিআই-এর ড্রেসিংরুমে খেলোয়াড়দের পছন্দ অনুযায়ী নিরামিষ ও আমিষ উভয় খাবারের সুব্যবস্থা থাকলেও, ব্যক্তিগত জীবনে একেকজন তারকা একেক ধরনের ডায়েট চার্ট অনুসরণ করেন। মহেন্দ্র সিং ধোনি থেকে শুরু করে বিরাট কোহলি কিংবা তরুণ তুর্কি শুভমন গিল—নিজেদের ফিট রাখতে এই তারকারা ঠিক কী ধরনের খাবার গ্রহণ করেন, তা নিয়ে কৌতূহল দীর্ঘদিনের।
প্রাক্তন অধিনায়ক এমএস ধোনি বরাবরই ভোজনরসিক হিসেবে পরিচিত। তিনি মূলত আমিষভোজী এবং তাঁর প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে বাটার চিকেন ও মাটন কারি। তবে সময়ের সাথে সাথে এবং বয়সের কথা মাথায় রেখে বর্তমানে তিনি ডায়েটে ফল ও ফলের রসের পরিমাণ বাড়িয়েছেন। অন্যদিকে, আধুনিক ক্রিকেটের ফিটনেস আইকন বিরাট কোহলি এখন সম্পূর্ণভাবে ‘ভেগান’ ডায়েট মেনে চলেন। ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সময় শারীরিক অসুস্থতা ও ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি মাংস এবং দুগ্ধজাত পণ্য ত্যাগ করেন।
তরুণ প্রজন্মের সেনসেশন শুভমন গিল এবং অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াও আমিষাশী ঘরানার। গিল নিজের শরীরের গঠন ঠিক রাখতে জাজল খাবার যেমন ‘সুশি’ এবং গ্রিলড চিকেন পছন্দ করেন। অন্যদিকে, হার্দিক পান্ডিয়াকে বোলিং ও ব্যাটিং দুই বিভাগেই সমান পরিশ্রম করতে হয় বলে পর্যাপ্ত প্রোটিনের জন্য চিকেন, মাছ এবং সেদ্ধ ডিমের ওপর নির্ভর করেন। তাদের তালিকায় কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিনের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা হয়।
দলের অন্যতম বিধ্বংসী ব্যাটার ঋষভ পন্থও আমিষ খাবারের ভক্ত। চিকেন ও সি-ফুড তাঁর অত্যন্ত প্রিয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর নিজের শারীরিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় তিনি খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। বর্তমানে ওজন নিয়ন্ত্রণ ও মাঠে ক্ষিপ্রতা বজায় রাখতে তিনি পনির বা চর্বিহীন মাংসের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে টাটকা শাকসবজি নিজের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।