পন্টিংয়ের সেই মজার ছলনা আর হার্দিকের ১১ বছর আগের আক্ষেপের গল্প

বিসিসিআইয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে হাসিতে ফেটে পড়লেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। ২০১৫ সালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে অভিষেক মরশুমে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। সেই সময় রিকি পন্টিং মজার ছলে হার্দিককে বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে পুরস্কারের পুরো অর্থই তাঁর ব্যক্তিগত। তরুণ হার্দিক যখন সেই টাকা দিয়ে কী করবেন তা নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখছিলেন, তখনই জানতে পারেন নিয়ম অনুযায়ী অর্থটি দলের সবার মধ্যে ভাগ হবে।
কৌতুকপূর্ণ এই অভিজ্ঞতার পাশাপাশি হার্দিক নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও ভাগ করে নিয়েছেন। আইপিএল ও আইসিসি টুর্নামেন্ট মিলিয়ে আগামী ১০ বছরে আরও অন্তত ছয়টি ট্রফি জয়ের লক্ষ্য স্থির করেছেন এই তারকা অলরাউন্ডার। বর্তমানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে নিজের ঘরওয়াপসি এবং আসন্ন মরশুমে কেকেআরের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা নিয়ে তিনি দারুণ আত্মবিশ্বাসী। হার্দিকের এই রূপান্তর এখন ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম অনুপ্রেরণামূলক অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃত।