২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে হার্দিকের জায়গা পাওয়া নিয়ে বড় শর্ত দিল বিসিসিআই

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই কোমর বেঁধে নামছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই ২০ জন ক্রিকেটারের একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই তালিকায় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার জায়গা পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বড়সড় অনিশ্চয়তা। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের জন্য বোর্ড বিশেষ কিছু শর্ত আরোপ করেছে বলে সূত্রের খবর।
বিসিসিআই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, বিশ্বকাপের দলে নিয়মিত হতে হলে হার্দিককে পূর্ণ ১০ ওভার বোলিং করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। ফিটনেস সংক্রান্ত সমস্যার কারণে গত কয়েক বছরে হার্দিককে অনেক সময় শুধুমাত্র ব্যাটার বা পার্ট-টাইম বোলার হিসেবে খেলতে দেখা গেছে। কিন্তু আসন্ন বিশ্বকাপের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় বোর্ড এমন অলরাউন্ডার চাইছে যারা বোলিং এবং ব্যাটিং উভয় বিভাগেই সমান অবদান রাখতে পারবেন। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে ১০ ওভার বোলিং করার মতো শারীরিক দক্ষতা হার্দিকের আছে কি না, তা নিয়ে গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিবেচনা চলছে।
বোর্ডের পক্ষ থেকে হার্দিককে বোলিংয়ের ওপর আরও বেশি শ্রম দেওয়ার এবং ফিটনেস নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি তিনি নিয়মিতভাবে ১০ ওভার বল করতে ব্যর্থ হন, তবে বিশ্বকাপের মূল স্কোয়াড থেকে তাঁর বাদ পড়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচকরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে একজন পেসার-অলরাউন্ডারের পূর্ণ কোটার বোলিং অত্যন্ত জরুরি।
২০২৭ বিশ্বকাপের রোডম্যাপ অনুযায়ী বিসিসিআই তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়তে চায়। হার্দিকের অভিজ্ঞতা দলের জন্য সম্পদ হলেও ফিটনেস এবং বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ছাড়া তাঁকে দলে রাখা ঝুঁকির হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার বিষয়, বিসিসিআই-এর এই কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে হার্দিক নিজেকে কতটা প্রস্তুত করতে পারেন।