ইতালীয় ক্রিকেটে নতুন সূর্যোদয়: স্বপ্ন এবার আইপিএল ও বিশ্বজয়ের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পর বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে ইতালি। দলের মিডিয়া ম্যানেজার রাকবির হাসানের মতে, পরিকাঠামোর অভাব ও ফুটবল উন্মাদনার মাঝেও ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা থেকে উঠে এসেছেন পিৎজা মেকার বা ফ্যাক্টরি কর্মীরা। ওয়াংখেড়ে বা ইডেনের মতো ঐতিহাসিক মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা ইতালীয় ক্রিকেটে এক নতুন ‘রেনেসাঁ’র সূচনা করেছে, যা ভবিষ্যতে এই খেলাকে দেশটির স্কুল পর্যায়ে পৌঁছে দেবে।
দলের লক্ষ্য এখন কেবল অংশগ্রহণ নয়, বরং বৈশ্বিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে জায়গা করে নেওয়া। বেঞ্জামিন মানেন্তি বা হাসান আলিদের মতো প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যেই বড় দলগুলোর নজরে রয়েছেন। রাকবির আশাবাদী যে, অদূর ভবিষ্যতে আইপিএলের মঞ্চেও ইতালির ক্রিকেটারদের দেখা যাবে। এমনকি মিলান বা রোমের নামে বড় কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি দল গঠনের স্বপ্নও দেখছে তারা, যা ইউরোপীয় ক্রিকেটের মানচিত্র বদলে দিতে পারে।
ঐতিহাসিকভাবে ইতালিতে ক্রিকেট ফুটবলের চেয়েও পুরনো হলেও রাজনৈতিক কারণে একসময় তা স্তিমিত হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার নিবন্ধিত ক্রিকেটার ও ৮০-৯০টি ক্লাবের সক্রিয় অংশগ্রহণে সেই হারানো গৌরব ফিরছে। অভিবাসীদের হাত ধরে শুরু হওয়া এই বিপ্লব এখন ইতালির নিজস্ব পরিচিতি হয়ে উঠছে। এবারের বিশ্বকাপ সেই দীর্ঘ লড়াইয়ের একটি সফল ধাপ মাত্র, যা ভবিষ্যতে ভারতকে ইডেনে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাওয়ার স্বপ্ন দেখায়।