ধর্মান্তর ও টিসিএস বিতর্ক, সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়!

ধর্মান্তর ও টিসিএস বিতর্ক, সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়!

টিসিএস ধর্মান্তর বিতর্ক গড়াল সুপ্রিম কোর্টে, উঠছে সন্ত্রাসবাদ আইনের দাবি

আইটি জায়ান্ট টিসিএস (TCS)-এর নাসিক শাখায় ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ধর্মান্তর ও শ্লীলতাহানির বিতর্ক এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের চৌকাঠে পৌঁছাল। একটি জনস্বার্থ মামলার মাধ্যমে আবেদনকারীরা দাবি করেছেন যে, এটি কেবল স্থানীয় কোনো ঘটনা নয়, বরং দেশের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রলোভন বা বলপ্রয়োগ করে যে ধর্মান্তরণ চালানো হচ্ছে, তা জনমিতির ভারসাম্য পরিবর্তনের একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এমন গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টিকে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের আওতায় এনে কঠোর বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগ ও কো ম্পা নির পদক্ষেপ
সংস্থাটির নাসিক ইউনিটে কর্মরত অন্তত নয়জন মহিলা কর্মীর অভিযোগ, গত দু-তিন বছর ধরে তাঁদের ওপর যৌন নির্যাতন ও মানসিক হেনস্তা চালানো হয়েছে। তাঁদের নজাজ পড়তে ও রোজা রাখতে বাধ্য করারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে টিসিএস কর্তৃপক্ষ নাসিকের বিপিও বিভাগের কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে এবং কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ নির্দেশে পাঠিয়েছে। ইতিমধ্যে নাসিক পুলিশ বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাঁদের মধ্যে কো ম্পা নির ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। ধৃতদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরকরণের চেষ্টার সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

এক ঝলকে

  • নাসিকের টিসিএস কেন্দ্রে মহিলা কর্মীদের হয়রানি ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগে উত্তাল পরিস্থিতি।
  • সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় বিষয়টিকে ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ’ গণ্য করে কঠোর পদক্ষেপের আর্জি।
  • অভিযুক্ত ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, বিশদ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) মাঠে নেমেছে।
  • বিতর্ক এড়াতে নাসিক শাখার বিপিও কার্যক্রম আপাতত বন্ধ ঘোষণা করেছে টিসিএস কর্তৃপক্ষ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *