দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর হানা, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে ফুঁসছেন মমতা!

দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর হানা, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে ফুঁসছেন মমতা!

ভোটের মুখে দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর হানা, সরব মমতা

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও দপ্তরে আয়কর দপ্তরের তল্লাশিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় আয়কর আধিকারিকরা রাসবিহারীর এই প্রার্থীর মনোহরপুকুরের বাসভবন, কার্যালয় এবং শ্বশুরবাড়িতে একযোগে অভিযান চালান। যদিও এই তল্লাশি কোনো সুনির্দিষ্ট দুর্নীতি মামলার অংশ কিনা, তা নিয়ে দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযানের অভিযোগ

কোচবিহারের জনসভা থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করে শাসক দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “বিজেপি সামনাসামনি লড়াই করতে ভয় পায় বলেই ভোটের মুখে এমন কাপুরুষোচিত পদক্ষেপ নিচ্ছে।” অন্যদিকে, আয়কর আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে নথিপত্র ঘাঁটার অভিযোগে সরব হয়েছেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা, যা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

ভোটের ময়দানে প্রভাব

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই ধরনের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী পদক্ষেপ শাসক শিবিরের নির্বাচনী প্রচার ও কৌশলকে সাময়িকভাবে ব্যাহত করার একটি উপায় হতে পারে। তবে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক অস্ত্র করে উল্টে সাধারণ মানুষের সহানুভূতি ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবে তারা। এখন দেখার, এই আয়কর হানার ঘটনা আগামী দিনে রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

এক ঝলকে

  • শুক্রবার ভোর থেকে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের একাধিক ঠিকানায় আয়কর দপ্তরের তল্লাশি।
  • তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে ‘ভীতু ও কাপুরুষোচিত’ পদক্ষেপ বলে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন।
  • অভিযানের সময় দপ্তরের নথিপত্র ঘাঁটার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা।
  • তদন্তকারী সংস্থাগুলির ব্যবহার নিয়ে বিজেপি বনাম তৃণমূল রাজনৈতিক সংঘাত চরমে পৌঁছেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *