অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে বাড়িতেই তৈরি করুন সুস্বাদু পুরান পোলি!

অক্ষয় তৃতীয়ায় পাতে থাকুক মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী পুরান পোলি
অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ দিন মানেই নতুন কিছুর সূচনা ও ভোজনরসিক বাঙালির বাড়িতে বিশেষ খাবারের আয়োজন। এই উৎসবে মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু খাবার ‘পুরান পোলি’ হতে পারে এক দারুণ সংযোজন। মূলত গণেশ চতুর্থীতে মহারাষ্ট্রে এই মিষ্টান্নটির বিশেষ কদর থাকলেও, এখন দেশের নানা প্রান্তের মানুষের কাছেই এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পুষ্টিকর ছোলার ডাল ও গুড়ের সংমিশ্রণে তৈরি এই খাবারটি যেমন তৃপ্তিদায়ক, তেমনই এর দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণ ক্ষমতা একে উৎসবের মরসুমে আদর্শ করে তোলে।
প্রস্তুতি ও তৈরির কৌশল
পুরান পোলি তৈরির মূল রহস্য লুকিয়ে আছে ডালের পুর ও মণ্ড তৈরির সঠিক অনুপাতে। প্রথমে ময়দা, ঘি ও সামান্য নুন দিয়ে নরম করে মেখে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিতে হয়। এরপর সেদ্ধ করা ছোলার ডাল মিহি করে পিষে তার সঙ্গে গুড়, চিনি ও এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে কড়াইতে জ্বাল দিয়ে ঘন মিশ্রণ বা ‘পুর’ তৈরি করে নিতে হয়। ময়দার ছোট লেচির মধ্যে ডালের পুর ভরে রুটির মতো বেলে নিতে হয় এবং তাওয়ায় ঘি দিয়ে হালকা আঁচে দুপিঠ সেঁকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু পুরান পোলি।
সঠিক পদ্ধতিতে তৈরি করলে এই খাবারটি এয়ারটাইট কৌটোতে ভরে প্রায় ৬-৭ দিন পর্যন্ত অনায়াসেই সংরক্ষণ করা যায়। স্বাস্থ্যকর উপাদানের ব্যবহার ও সহজলভ্য উপকরণের কারণে কম সময়েই বাড়িতে এটি তৈরি করা সম্ভব। অক্ষয় তৃতীয়ার মতো শুভ দিনে পরিবারের সদস্যদের সাথে এই பாரம்பரிய খাবারটি ভাগ করে নেওয়া উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
এক ঝলকে
- প্রধান উপাদান: ময়দা, ছোলার ডাল, গুড়, চিনি ও ঘি।
- মূল প্রক্রিয়া: ময়দার প্রলেপে ছোলার ডাল ও গুড়ের তৈরি মিষ্টি পুর ভরে তাওয়ায় ঘি দিয়ে ভাজতে হয়।
- সংরক্ষণ: এয়ারটাইট পাত্রে রাখলে এই খাবার ৬-৭ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।
- উৎসবের সংযোগ: মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী এই খাবারটি বর্তমানে বিভিন্ন উৎসবে বিশেষত অক্ষয় তৃতীয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয়।