তামিলনাড়ুর নারীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে বিরোধীরা, তোপ দাগলেন নির্মলা সীতারামন

তামিলনাড়ুর নারীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে বিরোধীরা, তোপ দাগলেন নির্মলা সীতারামন

সংসদে নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে চলমান বিতর্ক এখন দিল্লি ছাড়িয়ে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিএমকে এবং কংগ্রেস জোটের তীব্র সমালোচনা করে দাবি করেছেন, বিরোধীদের ‘অন্ধ রাজনৈতিক বিদ্বেষ’ রাজ্যের নারীদের প্রাপ্য সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে। অর্থমন্ত্রীর মতে, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি ঘৃণার বশবর্তী হয়ে স্ট্যালিন ও রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন জোট নারীদের ক্ষমতায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

রাজনৈতিক বিদ্বেষ ও উন্নয়নের পথে বাধা

সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এডাপ্পাডি কে. পালানিস্বামীর বক্তব্যের রেশ ধরে নির্মলা সীতারামন অভিযোগ করেন, বিরোধী শিবিরের সংকীর্ণ মানসিকতা ও একগুঁয়েমির কারণে সংসদ ও বিধানসভায় তামিলনাড়ুর নারীদের সঠিক প্রতিনিধিত্বের সুযোগ নষ্ট হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছিলেন যা কার্যকর হলে সরাসরি নারীরা উপকৃত হতেন। কিন্তু বিরোধী জোট সেই গঠনমূলক প্রক্রিয়ার অংশ হওয়ার পরিবর্তে নেতিবাচক রাজনীতিকে বেছে নিয়েছে, যার মাশুল দিতে হবে সাধারণ জনগণকে।

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা

নারী সংরক্ষণ এবং আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে বর্তমানে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলছে। বিজেপি মনে করে, বিরোধীরা কেবল রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নারী ক্ষমতায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো বিষয়টিকে আগামীর নির্বাচনী কৌশল হিসেবে দেখছে। নির্মলা সীতারামনের এই কঠোর বার্তা তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ডিএমকে ও কংগ্রেসের নারী-বিরোধী ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি বড় প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • বিরোধী জোটের অন্ধ বিদ্বেষ তামিলনাড়ুর নারীদের সংসদীয় প্রতিনিধিত্বের সুযোগ নষ্ট করছে বলে দাবি অর্থমন্ত্রীর।
  • এমকে স্ট্যালিন এবং রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে সংকীর্ণ মানসিকতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
  • প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ‘উইন-উইন প্রপোজিশন’ প্রত্যাখ্যান করায় রাজ্যের সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
  • নারী সংরক্ষণ ও আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে দক্ষিণের রাজনীতিতে কেন্দ্রীয় বনাম রাজ্য সংঘাত আরও তীব্র হলো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *