বাসরঘরেই স্বপ্নভঙ্গ, গয়না নিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে পালালেন নতুন বউ

উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে একটি বিয়েবাড়ির আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। জেলার রানিগঞ্জ থানা এলাকায় বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বরের চোখের আড়াল হতেই নববধূ তাঁর প্রেমিকের সাথে পালিয়েছেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর কনেকে ফিরে না পেয়ে অবশেষে রিক্তহস্তে ফিরে যেতে হয়েছে বর ও তাঁর পরিবারকে।
বিয়ের মণ্ডপ থেকে পলায়ন
শুক্রবার রাতে ফতনপুর এলাকা থেকে ঘটা করে বরযাত্রী এসেছিল রানিগঞ্জে। ধুমধাম করে দ্বারপূজা, জয়মাল্য এবং শুভদৃষ্টির মতো সব আচার সম্পন্ন হয়। অগ্নিকে সাক্ষী রেখে সাতপাক ঘোরার মাধ্যমে সাত জনম সাথে থাকার শপথও নিয়েছিলেন নবদম্পতি। কিন্তু বিয়ের ধকল শেষে পরিশ্রান্ত বর ও কনেপক্ষের লোকজন যখন ভোরের দিকে একটু বিশ্রামের জন্য চোখ বুজেছিলেন, সেই সুযোগকেই কাজে লাগান নববধূ। তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া মূল্যবান অলঙ্কার গুছিয়ে নিয়ে আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা প্রেমিকের হাত ধরে চম্পট দেন।
অমীমাংসিত বিতর্ক ও আইনি অবস্থা
ঘটনাটি জানাজানি হতেই দুই পরিবারের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় ধরে বাকবিতণ্ডা ও কনেকে খোঁজাখুঁজি চললেও তাঁর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে বিয়ের পিঁড়ি থেকে কনের এমন পলায়ন কেবল আর্থিক ক্ষতিই নয়, বরং সামাজিক সম্মানের ক্ষেত্রেও বড় আঘাত হেনেছে।
এক ঝলকে
- উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরপরই প্রেমিকের সাথে পালিয়েছেন নববধূ।
- পলায়নের সময় কনে তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া সমস্ত স্বর্ণালঙ্কার সাথে নিয়ে গেছেন।
- খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হওয়ার পর বরকে কনে ছাড়াই শূন্য হাতে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।
- পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ না পেলেও ঘটনার তদন্তের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।