৪ তারিখের পর সব হিসেব বুঝে নেওয়ার হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের, নওদায় চরমে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি!

মুর্শিদাবাদের নওদায় ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হতেই পরিস্থিতি কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (AJUP)-র প্রধান হুমায়ুন কবীর এলাকায় পৌঁছাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে তাঁর প্রকাশ্য হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। নওদার ৯ ও ১০ নম্বর বুথে ঝামেলার খবর পেয়ে হুমায়ুন সেখানে গেলে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বোমাবাজি ও জনজীবনে আতঙ্ক
নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যেই নওদার শিবনগর এলাকায় রাতভর দফায় দফায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, নামাজ পড়ে ফেরার পথে বোমা ফেটে এক মহিলা গুরুতর জখম হয়েছেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, রাতে দুষ্কৃতীরা এলাকায় এসে বোমাবাজি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম ভীতি তৈরি হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাঁদের বুথমুখী করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাজনৈতিক সংঘাত ও প্রশাসনিক তৎপরতা
AJUP প্রার্থী জমিরুল ইসলামের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের কর্মীদের মারধর করে বুথে যেতে বাধা দিচ্ছে। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে ধরনায় বসে হুমায়ুন কবীর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন যে, ৪ঠা জুন ফল প্রকাশের পর সমস্ত ঘটনার ‘পাই-পাই’ হিসেব নেওয়া হবে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। সিইও দফতর থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এক ঝলকে
- মুর্শিদাবাদের নওদায় হুমায়ুন কবীর ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি।
- শিবনগর এলাকায় রাতভর বোমাবাজিতে এক মহিলা গুরুতর আহত।
- তৃণমূল ও AJUP-র মধ্যে পারস্পরিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত নির্বাচনী পরিবেশ।
- ৪ঠা জুন ফল প্রকাশের পর চরম পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর।