শান্ত না হলে ধ্বংস হবে ইরানের শক্তি কেন্দ্র ও সেতু! ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চরমে পৌঁছেছে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে এক নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সোমবারের প্রস্তাবিত দ্বিতীয় দফার আলোচনায় তেহরান নমনীয় না হলে দেশটির বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
জ্বালানি সংকট ও বিশ্ব অর্থনীতিতে মেঘ
ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা শত্রু দেশ এবং তাদের মিত্রদের কোনো জাহাজ এই জলপথ দিয়ে যাতায়াত করতে দেবে না। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
কূটনৈতিক ব্যর্থতা ও যুদ্ধের দামামা
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার বৈঠক কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থান বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ওয়াশিংটন এখন ২০ এপ্রিলের আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছে। যদি ওই বৈঠকে ইরান মার্কিন শর্ত মেনে না নেয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরু হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
এক ঝলকে
- ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফার শান্তি বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ব্যর্থ হয়েছে।
- শর্ত না মানলে ইরানের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র ও অবকাঠামো ধ্বংস করার সরাসরি হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
- আগামী ২০ এপ্রিল ইসলামাবাদে পুনরায় দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে চূড়ান্ত আলোচনার কথা রয়েছে।