২৮ দিন টানা ইসবগুল খেয়ে নিজের শরীরে কী বদল দেখলেন এই ফিটনেস কোচ? ফলাফল চমকে দেওয়ার মতো!

সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেই আমরা ইসবগুলের ভুসি ব্যবহার করি। তবে দীর্ঘ ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ফিটনেস কোচ ডন গো টানা ২৮ দিন, দিনে তিনবার করে ইসবগুল খেয়ে নিজের শরীরে এক অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এই পরীক্ষার ফলাফল শেয়ার করে তিনি জানান, ইসবগুল কেবল পেটের সমস্যার সমাধান নয়, বরং সামগ্রিক সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
পরীক্ষা ও শারীরিক পরিবর্তন
ডন প্রতিদিন প্রতি বেলা খাবারের আগে দুই টেবিল চামচ ইসবগুল গ্রহণ করতেন, যা থেকে তিনি দিনে প্রায় ৪৮ থেকে ৫৬ গ্রাম ফাইবার পেতেন। পরীক্ষার শুরুর দিকে শরীরে কিছুটা ক্লান্তি বোধ করলেও পর্যাপ্ত জল পান করার পর তা কেটে যায়। তৃতীয় দিন থেকে তার অহেতুক ক্ষুধা পাওয়ার প্রবণতা কমে আসে এবং চতুর্থ দিন থেকে হজম প্রক্রিয়া ও বিপাকতন্ত্রে শৃঙ্খলা ফিরে আসে। এক সপ্তাহ পর তার পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা পুরোপুরি দূর হয়ে যায়।
সতর্কতা ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
ইসবগুল মূলত অন্ত্রে গিয়ে জলের সংস্পর্শে জেলির মতো আকার ধারণ করে, যা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে এবং উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে ডন গো সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ইসবগুল খাওয়ার সময় প্রচুর পরিমাণে জল পান করা বাধ্যতামূলক। পর্যাপ্ত জল না খেলে এটি অন্ত্রে জমাট বেঁধে হিতে বিপরীত হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসবগুল উপকারী হলেও প্রাকৃতিক শাকসবজি ও ফলমূল থেকে ফাইবার গ্রহণ করাই স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো।
এক ঝলকে
- ফিটনেস কোচ ডন গো টানা ২৮ দিন নির্দিষ্ট নিয়মে ইসবগুল খেয়ে তার শারীরিক পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন।
- নিয়মিত ইসবগুল সেবনে তার ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে আসে এবং হজম ও গ্যাসের সমস্যা দূর হয়।
- ইসবগুলের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এড়াতে প্রচুর জল পান করা জরুরি।
- এটি অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে এবং শরীরকে বিষমুক্ত করতে সহায়তা করে।