ভাত-রুটি কি স্বাস্থ্যের শত্রু? দীর্ঘায়ু পেতে ডায়েট নিয়ে যা জানালেন যোগগুরু রামদেব

ভাত-রুটি কি স্বাস্থ্যের শত্রু? দীর্ঘায়ু পেতে ডায়েট নিয়ে যা জানালেন যোগগুরু রামদেব

ঊনষাট বছর বয়সেও মাথায় ঘন কালো চুল আর শরীরে বিদ্যুতের গতি— যোগগুরু স্বামী রামদেবের এই ঈর্ষণীয় ফিটনেসের রহস্য কেবল যোগব্যায়াম নয়, বরং তাঁর কঠোর খাদ্যাভ্যাস। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি জানিয়েছেন, সুঠাম দেহ ও মেদহীন পেট ধরে রাখতে তিনি এমন কিছু নিয়ম মেনে চলেন যা সাধারণ মানুষের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তাঁর মতে, সুস্থ দীর্ঘায়ুর জন্য খাদ্যের গুণগত মানই শেষ কথা।

বিষাক্ত খাবার বর্জন ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ

যোগগুরু রামদেব স্পষ্ট জানিয়েছেন, জগতের সমস্ত ঐশ্বর্যের বিনিময়েও তিনি এমন কিছু খাবার গ্রহণ করবেন না যা শরীরের জন্য বিষতুল্য। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার নিরিখে তিনি দাবি করেন, অতিরিক্ত শর্করা এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। ৫৯ বছর বয়সেও তাঁর এই অফুরান শক্তির নেপথ্যে রয়েছে এমন কিছু খাবার থেকে দূরত্ব বজায় রাখা, যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

চাল ও গমের প্রভাব

প্রতিবেদনে তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন চাল ও গম খাওয়ার বিষয়ে। রামদেবের মতে, যারা অতিরিক্ত পরিমাণে চাল ও গম জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করেন, তারা মূলত অজান্তেই অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এই শস্যগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ানো এবং মেদবৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। সুস্থ থাকতে তিনি এসবের বিকল্প হিসেবে বাজরা বা অন্যান্য পুষ্টিকর দানাশস্যের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

এই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে কেবল ওজন কমানো নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জীবনযাত্রায় এই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনলে বার্ধক্যেও শরীরের তেজ বজায় রাখা যায় বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

এক ঝলকে

সঠিক পুষ্টি ও শৃঙ্খলার মাধ্যমেই বার্ধক্য জয় করা এবং পেটের মেদ কমানো সম্ভব।

৫৯ বছর বয়সেও স্বামী রামদেবের ফিটনেসের মূল চাবিকাঠি তাঁর নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস।

তিনি অতিরিক্ত চাল ও গম খাওয়ার অভ্যাসকে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

প্রক্রিয়াজাত ও অস্বাস্থ্যকর খাবারকে তিনি শরীরের জন্য ‘বিষ’ বলে মনে করেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *