হারানো ভোটার কার্ড নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়, হাতের মুঠোয় সমাধান পেতে দেখুন এই সহজ পদ্ধতি!

নির্বাচনের ঠিক মুখে ভোটার কার্ড খুঁজে না পাওয়া অনেকের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এখন আর সচিত্র পরিচয়পত্রের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে না। ভারতের নির্বাচন কমিশন ভোটারদের সুবিধার্থে নিয়ে এসেছে ডিজিটাল ভোটার কার্ড বা ই-এপিক (e-EPIC), যা স্রেফ দুই মিনিটেই মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে ডাউনলোড করা সম্ভব। এর ফলে পরিচয়পত্র হারানোর দুশ্চিন্তা কাটিয়ে ভোটাররা সহজেই তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
কীভাবে ডাউনলোড করবেন আপনার ডিজিটাল কার্ড
ডিজিটাল কার্ড পেতে ভোটারদের প্রথমে কমিশনের অফিশিয়াল পোর্টালে (voters.eci.gov.in) নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ-ইন করতে হবে। এরপর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘E-EPIC Download’ অপশনে ক্লিক করে নিজের এপিক নম্বর বা ফর্ম রেফারেন্স নম্বর দিলেই মোবাইলে একটি ওটিপি আসবে। সেই ওটিপি যাচাই করার পর মুহূর্তের মধ্যেই পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড হয়ে যাবে আপনার পরিচয়পত্র। যাদের মোবাইল নম্বর কার্ডের সাথে যুক্ত নেই, তারা সামান্য ফেস ভেরিফিকেশন বা ই-কেওয়াসি (e-KYC) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই সুবিধা নিতে পারবেন।
বিকল্প নথিতেও ভোট দেওয়ার সুযোগ
কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র ভোটার কার্ড না থাকার কারণে কাউকেই ভোটদান থেকে বঞ্চিত করা হবে না। যদি কারো নাম ভোটার তালিকায় থাকে, তবে তিনি আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট বা ব্যাঙ্কের পাসবুকসহ নির্ধারিত ১২টি পরিচয়পত্রের যেকোনো একটি দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন। এর পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য র্যাম্প, হুইলচেয়ার এবং গরমের কথা মাথায় রেখে পানীয় জলের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরকারের এই ডিজিটাল পদক্ষেপ এবং বিকল্প নথির সুবিধা ভোটদানের হার বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- নির্বাচন কমিশনের পোর্টাল থেকে মাত্র ২ মিনিটেই ই-এপিক কার্ড ডাউনলোড করা সম্ভব।
- যাদের মোবাইল নম্বর লিঙ্ক নেই, তারা ফেস ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ডিজিটাল কার্ড পাবেন।
- ভোটার কার্ড না থাকলেও আধার, প্যান বা ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে।
- ভোটকেন্দ্রে বয়স্ক ও অসুস্থ ভোটারদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকার ও পরিষেবার ব্যবস্থা করেছে কমিশন।