শৌচকর্ম করতে গিয়েছিলেন মহিলা, পিছু পিছু হাজির দেওর! যা দেখলেন তাতেই চক্ষু চড়কগাছ যুবকের

হিমাচল প্রদেশের ফতেহপুর মহকুমার লাহসি গ্রামে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার দুপুরে শৌচকার্যের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়া ৩৫ বছর বয়সী মীনা কুমারী আর জীবিত ফেরেননি। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির অদূরেই একটি ক্ষেত থেকে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী দেবর ও স্বজনরা মৃতদেহের বীভৎস অবস্থা দেখে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও বর্তমান পরিস্থিতি
বিকেলে স্থানীয় একটি ক্ষেতে মীনা কুমারীর ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁর দেবর ও সন্তানরা। মরদেহের শরীরে একাধিক গভীর আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কোনো ধারদার অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং পুলিশ সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
অসহায় পরিবার ও তদন্তের গতিপথ
নিহত মীনা কুমারী তিন বছর আগে স্বামীকে হারানোর পর তিন সন্তান নিয়ে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সাড়ে তিন বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেই চলত তাঁর অভাবের সংসার। পুলিশ কর্মকর্তা জগত কনৌজিয়া জানিয়েছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনলেও পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্লু পেয়েছে। দিনদুপুরে এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় কোনো পুরনো শত্রুতা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।
এক ঝলকে
- হিমাচলের লাহসি গ্রামে ৩৫ বছর বয়সী মীনা কুমারীকে ধারদার অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
- নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ক্ষেত থেকে নিহতের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
- তিন বছর আগে স্বামী হারানো ওই নারী তিন সন্তানের জননী এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন।
- ফরেনসিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ কয়েকজনকে হেফাজতে নিয়েছে।