প্রথম দফার ভোট কাল: রাজ্যে কী কী খোলা আর কী বন্ধ? বেরোনোর আগে জেনে নিন তালিকা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হচ্ছে ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোতে আংশিক ছুটি ও কিছু পরিষেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ভোটদাতারা যাতে কোনো বাধা ছাড়াই বুথমুখী হতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
বন্ধ থাকছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মদের দোকান
ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ক্লাসের বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। এছাড়া কড়া নিরাপত্তার স্বার্থে নির্বাচনী এলাকায় ‘ড্রাই ডে’ ঘোষণা করা হয়েছে। ২১ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরণের মদের দোকান ও বার বন্ধ থাকবে, যা ক্ষেত্রবিশেষে ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে।
জরুরি পরিষেবা ও ব্যাঙ্ক পরিষেবার হালহকিকত
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে হাসপাতাল, ওষুধের দোকান, বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহের মতো জরুরি পরিষেবাগুলো সম্পূর্ণ সচল রাখা হয়েছে। গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু থাকলেও সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলোতে বেতনসহ ছুটি কার্যকর থাকবে। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভৌত শাখা বন্ধ থাকলেও গ্রাহকদের সুবিধার্থে এটিএম পরিষেবা এবং অনলাইন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করবে।
এই ছুটির মূল কারণ হলো সর্বোচ্চ ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। অফিস ও কলকারখানা বন্ধ রাখার ফলে শ্রমিক ও কর্মীরা বেতন কাটার ভয় ছাড়াই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। অন্যদিকে, গণপরিবহন ও স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু রাখার মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার পথ খোলা রাখা হয়েছে, যাতে জনজীবনে স্থবিরতা না আসে।
এক ঝলকে
- ২৩ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সরকারি ও বেসরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
- স্কুল-কলেজ এবং মদের দোকান সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে, তবে জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা সচল থাকবে।
- ব্যাঙ্ক শাখা বন্ধ থাকলেও এটিএম এবং অনলাইন লেনদেন চালু থাকবে।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কারখানায় কর্মীদের বেতনসহ ছুটি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।