বয়স হাফ সেঞ্চুরি পেরোলেও গলায় ওঠেনি মালা! বলিউডের এই ১০ তারকার সিঙ্গল লাইফ যেন রূপকথা

গ্ল্যামার জগতের চাকচিক্য আর প্রেমের গুঞ্জনের মাঝেও বলিউডের একঝাঁক তারকা চিরকুমার থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমতো চমক তৈরি করেছেন। সালমান খান থেকে শুরু করে তব্বু বা সুস্মিতা সেন—অনেকেই জীবনের অর্ধশতক পার করলেও এখনো সাতপাকে বাঁধা পড়েননি। ক্যারিয়ারের ব্যস্ততা, ব্যক্তিগত চয়েস কিংবা অতীতের ভাঙা সম্পর্কের অভিজ্ঞতায় তাঁরা একাকী জীবনকেই বেছে নিয়েছেন স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা হিসেবে।
স্বাধীন জীবন আর ক্যারিয়ারের অগ্রাধিকার
বলিউডের এই হাই-প্রোফাইল অবিবাহিতদের তালিকায় শীর্ষে থাকা সালমান খান ৫৯ বছরে পা দিয়েও এখনো ‘মোস্ট এলিজিবল ব্যাচেলর’। অন্যদিকে, ৫৩ বছর বয়সী তব্বু কিংবা ৫০ ছুঁইছুঁই সুস্মিতা সেন ও আমিশা প্যাটেলরা একাধিক সম্পর্কে জড়ালেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে করেননি। তাঁদের প্রত্যেকের জীবনদর্শন বলছে, সুখী হওয়ার জন্য জীবনসঙ্গী থাকা বাধ্যতামূলক নয়। পেশাগত সাফল্য এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার এই মেলবন্ধন আজকের প্রজন্মের কাছেও এক নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরিবার ও মাতৃত্বের নতুন সংজ্ঞা
বিয়ের পিঁড়িতে না বসেও অনেকে একক অভিভাবক হিসেবে পরিবার গড়েছেন। অভিনেতা তুষার কাপুর এবং প্রযোজক একতা কাপুর সারোগেসির মাধ্যমে মা-বাবা হয়ে সমাজকে দেখিয়েছেন যে, চিরাচরিত প্রথার বাইরে গিয়েও পূর্ণাঙ্গ জীবন কাটানো সম্ভব। দিব্যা দত্ত বা অক্ষয় খান্নার মতো শিল্পীরাও জীবনসঙ্গীর অভাব বোধ না করে বরং নিজেদের কাজ এবং শখের মধ্যেই আনন্দ খুঁজে নিচ্ছেন। এই প্রবণতা বলিউড তথা আধুনিক সমাজে একক জীবন যাপনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে তুলছে।
এক ঝলকে
- বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ৫৯ বছর বয়সেও অবিবাহিত থেকে সিঙ্গেলহুড উপভোগ করছেন।
- তব্বু, আমিশা প্যাটেল ও সুস্মিতা সেনের মতো অভিনেত্রীরা ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে বিয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
- তুষার কাপুর ও একতা কাপুর বিয়ে না করেও সারোগেসির মাধ্যমে একক অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন।
- রাহুল বোস, অক্ষয় খান্না ও উদয় চোপড়ারা পঞ্চাশের কাছাকাছি বয়সে পৌঁছেও একাকী জীবনেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।