নেশার খরচ জোগাতে ইঞ্জিনিয়ারের ‘বাগানবিলাস’! ছাদ থেকে ১৭টি বিশাল গাঁজা গাছ উদ্ধার করল পুলিশ

হায়দ্রাবাদে মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের মধ্যে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। নিজের আসক্তি মেটাতে এবং ড্রাগ কেনার খরচ বাঁচাতে এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নিজের বাড়ির ছাদে শুরু করেছিলেন গাঁজা চাষ। পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওই যুবকের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।
নেশার গ্রাসে ক্যারিয়ার ও জীবন
অভিযুক্ত যুবক সিএইচ শশিধর একটি নামী সফটওয়্যার কো ম্পা নিতে কর্মরত ছিলেন। তবে গাঁজার নেশায় এমনভাবে বুঁদ হয়ে পড়েন যে, বেতনের মোটা অঙ্কের টাকা এই নেশার পেছনেই শেষ হয়ে যেত। এক পর্যায়ে টাকার অভাব দেখা দিলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে সরাসরি উৎপাদনের পথে হাঁটেন। নিজের বাড়ির ছাদে টবে করেই তিনি গাঁজার বাগান গড়ে তোলেন।
পুলিশি অভিযান ও বর্তমান পরিস্থিতি
গোপন সূত্রের ভিত্তিতে রঙ্গারেডি এনফোর্সমেন্ট টিম ওই ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে হানা দেয়। অভিযানে ১৭টি বিশালাকার গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে, যার উচ্চতা প্রায় তিন মিটার পর্যন্ত পৌঁছেছিল। পুলিশি অনুমান অনুযায়ী, এই বাগান থেকে অন্তত ১০ কেজি গাঁজা উৎপাদন করা সম্ভব ছিল। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বর্তমানে আবগারি দপ্তরের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
হায়দ্রাবাদ ও সংলগ্ন এলাকায় মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এ বছর শুরু থেকেই একাধিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার এবং অসংখ্য কারবারিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পেশাদার একজন ইঞ্জিনিয়ারের এমন কর্মকাণ্ডে সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের ওপর মাদকের বিধ্বংসী প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এক ঝলকে
- হায়দ্রাবাদে নেশার খরচ বাঁচাতে বাড়ির ছাদে গঞ্জিকা চাষের অভিযোগে এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার গ্রেফতার।
- অভিযুক্তের বাড়ি থেকে ১৭টি বড় গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে, যার ওজন প্রায় ১০ কেজি হতে পারত।
- আসক্তির কারণে মোটা বেতনের চাকরি ছেড়ে দিয়ে মাদক উৎপাদনে জড়িয়ে পড়েন ওই যুবক।
- পুলিশ ও আবগারি দপ্তর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।