ভোটার কার্ড ছাড়াই দেওয়া যাবে ভোট! সাথে রাখুন এই ১২টি নথির যে কোনো একটি

ভোটার কার্ড ছাড়াই দেওয়া যাবে ভোট! সাথে রাখুন এই ১২টি নথির যে কোনো একটি

বাংলার হাইভোল্টেজ নির্বাচনের ঠিক আগের মুহূর্তে বড় ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। ভোটার কার্ড বা ‘এপিক’ না থাকলেও এখন সাধারণ মানুষের ভোটদানে কোনো বাধা থাকছে না। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, আপনার নাম যদি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকে, তবে ভোটার কার্ড ছাড়াই বিকল্প ১২টি সরকারি পরিচয়পত্রের যেকোনো একটি ব্যবহার করে আপনি নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। মূলত সাধারণ ভোটারদের হয়রানি কমাতে এবং ভোটদানের হার বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিকল্প নথির তালিকা ও গুরুত্ব

পরিচয়পত্র হিসেবে এখন আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলো গ্রহণ করা হবে। এছাড়া গ্রামীণ এলাকার জন্য মনরেগা জব কার্ড, ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ছবিযুক্ত পাসবই এবং পেনশনের নথিও বৈধ হিসেবে গণ্য হবে। এমনকি সরকারি কর্মীদের সার্ভিস আইডি কার্ড বা শ্রম মন্ত্রকের স্মার্ট কার্ড থাকলেও ভোট দেওয়া যাবে। শারীরিক প্রতিবন্ধী ভোটারদের সুবিধার্থে ‘ইউনিক ডিসঅ্যাবিলিটি আইডি’ (UDID) কার্ডকেও এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

সতর্কতা ও করণীয়

তবে ভোটারদের মনে রাখতে হবে, যেকোনো পরিচয়পত্র থাকলেই ভোট দেওয়া সম্ভব নয় যদি তালিকায় নাম না থাকে। অর্থাৎ ভোটার তালিকায় নাম থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় নথির মূল কপি বা অরিজিনাল কার্ড সাথে রাখা জরুরি; কারণ মোবাইল ফোনের ছবি বা ফটোকপি সব ক্ষেত্রে গ্রাহ্য নাও হতে পারে। ভোটার স্লিপ শুধুমাত্র বুথ খুঁজে পাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হবে, এটি পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য হবে না। কমিশনের এই স্বচ্ছ নির্দেশিকায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি কমবে এবং উৎসবের মেজাজে ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • ভোটার কার্ড না থাকলেও তালিকায় নাম থাকলে ভোট দেওয়া যাবে।
  • আধার, প্যান, পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ মোট ১২টি বিকল্প নথি বৈধ।
  • ভোটকেন্দ্রে অবশ্যই নথির আসল কপি (Original) সাথে রাখতে হবে।
  • ভোটার স্লিপ পরিচয়পত্র নয়, এটি কেবল বুথ শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *