অদৃশ্য হচ্ছিল ছাগল-মুরগি, ৬ মাস পর আসল রহস্য ফাঁস হতেই গ্রামবাসীদের চক্ষু চড়কগাছ!

বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলার বাগাহায় দীর্ঘ ছয় মাস ধরে চলা রহস্যজনক নিখোঁজ রহস্যের অবসান ঘটেছে। শহরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের একটি জনবহুল এলাকায় হঠাৎ বিশাল এক অজগর উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তির বাড়ির পেছন থেকে প্রায় ২০ ফুট লম্বা এই অজগরটি উদ্ধার করা হয়। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় গ্রামবাসী ও বন বিভাগের কর্মীরা সাপটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
রহস্যজনক অন্তর্ধান ও নেপথ্যের কারণ
দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার মুরগি এবং ছাগল হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছিল। গ্রামবাসী অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গবাদি পশুর কোনো হদিস পাচ্ছিলেন না। আসলে বাড়ির পেছনের ঝোপঝাড়ে আস্তানা গেড়েছিল এই রাক্ষুসে অজগরটি, যা রাতের অন্ধকারে পশুদের শিকার করত। অজগরটি ধরা পড়ার পর জানা যায়, গত কয়েক মাসে নিখোঁজ হওয়া সব প্রাণীর নেপথ্যে ছিল এই বিশাল সরীসৃপটি।
বন বিভাগের পদক্ষেপ ও নিরাপত্তা সতর্কতা
রেঞ্জার মনোজ কুমারের মতে, বন্যার জলর তোড়ে প্রায়শই নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে এসব অজগর লোকালয়ে চলে আসে। বিশাল আকৃতির এই অজগরটি উদ্ধারের পর বর্তমানে সেটিকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বন বিভাগ। সৌভাগ্যবশত কোনো মানুষের ওপর হামলা না হলেও, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন বিপজ্জনক প্রাণীর উপস্থিতি ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কর্তৃপক্ষ এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
এক ঝলকে
- বিহারের বাগাহায় জনবসতি এলাকা থেকে ২০ ফুট লম্বা এক বিশাল অজগর উদ্ধার।
- গত ৬ মাস ধরে এলাকায় মুরগি ও ছাগল নিখোঁজ হওয়ার রহস্য সমাধান।
- গ্রামবাসীর তৎপরতায় সাপটিকে ধরে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- বন্যার জলর কারণে লোকালয়ে অজগরটি চলে এসেছিল বলে বন কর্মকর্তাদের ধারণা।