ছাত্রের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পড়লেন স্কুল সেক্রেটারি! পর্দাফাঁস করল খোদ স্বামী

শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের পবিত্রতা নিয়ে বড়সড় ধাক্কা খেল যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্য। একটি নামী স্কুলের সেক্রেটারি আলিসিয়া হিউস নিজের স্কুলেরই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে বর্তমানে কারাবন্দি। ভ্যালেন্টাইনস ডে-র দিন ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় স্বামীর হাতে ধরা পড়ার পর বেরিয়ে আসে এই নারী কর্মীর একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
তদন্তে বেরিয়ে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ৩১ বছর বয়সী তিন সন্তানের জননী আলিসিয়া প্রথমে দাবি করেন, ছাত্রটির ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তিনি কোনো সম্পর্কে জড়াননি। তবে তদন্তকারীরা তল্লাশি চালিয়ে জানতে পারেন, কেবল একজন নয়, বরং ১৭ বছর বয়সী আরও এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করে আলিসিয়া জানান, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে তিনি এই কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং অন্তত পাঁচবার অপ্রাপ্তবয়স্ক ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
পারিবারিক বিবাদ ও আইনি জটিলতা
নিজের অনৈতিক কাজের পক্ষে সাফাই গেয়ে আলিসিয়া দাবি করেন, স্বামীর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের কারণেই তিনি বাইরের সম্পর্কে শান্তি খুঁজছিলেন। তবে ইন্ডিয়ানার কঠোর আইন অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে শিক্ষার্থীদের যৌন হেনস্তা করা একটি গুরুতর অপরাধ। আলিসিয়ার এই স্বীকারোক্তি ও পাওয়া প্রমাণাদির ভিত্তিতে তাকে বর্তমানে র্যান্ডলফ কাউন্টি জেলে পাঠানো হয়েছে এবং ২৫ হাজার ডলারের জামিন ধার্য করা হয়েছে।
ঘটনার পর আলিসিয়ার স্বামী বেইলি হিউস তড়িঘড়ি করে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন এবং তাদের তিন সন্তানের পূর্ণ হেফাজত দাবি করেছেন। দোষী সাব্যস্ত হলে এই স্কুল সেক্রেটারির সর্বোচ্চ ছয় বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এই ঘটনাটি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।
এক ঝলকে
- স্কুল শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের দায়ে গ্রেপ্তার হলেন ৩১ বছর বয়সী স্কুল সেক্রেটারি আলিসিয়া হিউস।
- নিজ স্বামীর হাতে হাতেনাতে ধরা পড়ার পর বেরিয়ে আসে একাধিক ছাত্রের সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্কের প্রমাণ।
- ১৭ বছর বয়সী এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রের সঙ্গে পাঁচবার শারীরিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত নারী।
- পেশাগত ক্ষমতার অপব্যবহার ও যৌন হেনস্তার দায়ে তার ছয় বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।