‘ঘরশত্রু বিভীষণ!’ স্বামী আর নিজের বোনের এই কাণ্ড ঘুণাক্ষরেও টের পাননি দিদি, পুলিশি তদন্তে ফাঁস সব

উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরে জামাইবাবু ও শ্যালিকার অনৈতিক সম্পর্কের জেরে এক নজিরবিহীন ও মর্মান্তিক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। দীর্ঘদিনের পরকীয়া এবং তার ফলে হওয়া গর্ভপাত লুকোতে গিয়ে এখন শ্রীঘরের অন্ধকারে দিন কাটাতে হচ্ছে অভিযুক্ত অভিষেক ও প্রিয়াকে। ঘটনার আকস্মিকতায় স্তম্ভিত স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে অভিযুক্তের নিজ পরিবারও।
সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল অপরাধ
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৪ জুন, যখন রুরকি চউকি এলাকায় ময়লার স্তূপ থেকে একটি ৬ মাস বয়সী ভ্রূণ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রশাসন প্রায় ১০০টিরও বেশি সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, লোকলজ্জার ভয়ে এবং অবৈধ সম্পর্কের প্রমাণ মুছে ফেলতেই ভ্রূণটি সেখানে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পরিবারের বিশ্বাসভঙ্গ ও আইনি ব্যবস্থা
তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত অভিষেক তার শ্যালিকার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। প্রিয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তারা গোপনে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেন এবং ভ্রূণটি জনসমক্ষে ফেলে দিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেন। অভিষেকের স্ত্রী তথা প্রিয়ার দিদি পুলিশের কাছে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, পুলিশ ঘটনাটি সামনে না আনলে তিনি কোনোদিন জানতেই পারতেন না যে তার স্বামী ও বোন তাকে এভাবে প্রতারণা করছে। বর্তমানে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
এক ঝলকে
- উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরে জামাইবাবু ও শ্যালিকার অনৈতিক সম্পর্কের জেরে ভ্রূণ উদ্ধার।
- সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত অভিষেক ও প্রিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
- ৬ মাসের ভ্রূণটি গর্ভপাত করিয়ে ময়লার স্তূপে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
- পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতারণার অভিযোগ তুলে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।