সকাল হতেই ছুটবেন টয়লেটে! কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে স্বামী রামদেবের ৫টি অব্যর্থ টোটকা

আধুনিক ব্যস্ত জীবনযাত্রা এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য বর্তমানে একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা টয়লেটে বসে থেকেও পেট পরিষ্কার না হওয়া এবং এর ফলে পেট ব্যথা বা ভারী অনুভূতির সমস্যায় ভুগছেন বহু মানুষ। দীর্ঘমেয়াদী এই সমস্যা দূর করতে এবং হজম প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে যোগগুরু স্বামী রামদেব সম্প্রতি কিছু কার্যকর ঘরোয়া সমাধান ও আয়ুর্বেদিক পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন।
প্রাকৃতিক নিরাময় ও ডায়েট
রামদেবের মতে, আঁশ বা ফাইবার সমৃদ্ধ নাশপাতি কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য মহৌষধের মতো কাজ করে। নিয়মিত নাশপাতির রস সেবনে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং পেট পরিষ্কার থাকে। এছাড়া প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম জলের সঙ্গে এক চামচ গোরুর খাঁটি ঘি মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এটি প্রাকৃতিক ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করে অন্ত্রের জটিলতা দূর করে এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
আয়ুর্বেদ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন
পুরনো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে ত্রিফলা চূর্ণ বা হরিতকীর মুরব্বা রাতে শোবার আগে গরম জলের সঙ্গে সেবন করা অত্যন্ত উপকারী। এছাড়া বেলের শরবত বা লাউয়ের রস আইবিএস (IBS) ও কোলাইটিসের মতো সমস্যায় আরাম দেয়। শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাস নয়, বরং নিয়মিত মণ্ডূকাসন, যোগমুদ্রাসন ও ময়ূরাসনের মতো যোগব্যায়াম করলে পাচনতন্ত্র ভেতর থেকে শক্তিশালী হয়। সঠিক পদ্ধতিতে খাবার চিবিয়ে খাওয়া এবং হালকা ও সাধারণ খাবার গ্রহণ করলে এই সমস্যা থেকে স্থায়ী মুক্তি সম্ভব।
এক ঝলকে
- আঁশযুক্ত নাশপাতি ও এর রস পেট পরিষ্কার রাখতে ৯৯ শতাংশ কার্যকর।
- সকালে খালি পেটে গরম জলের সঙ্গে এক চামচ গোরুর ঘি অন্ত্রের পিচ্ছিলতা বাড়ায়।
- দীর্ঘদিনের সমস্যায় রাতে শোবার আগে ত্রিফলা চূর্ণ বা হরিতকীর মুরব্বা জাদুকরী ভূমিকা পালন করে।
- নিয়মিত নির্দিষ্ট কিছু যোগাসন হজম শক্তি বৃদ্ধি করে কোষ্ঠকাঠিন্য নির্মূল করতে সাহায্য করে।