হুমায়ুনের শিবিরে ফের ধাক্কা! শওকতের হাত ধরে ঘাসফুলে যোগ সীমার

আসন্ন নির্বাচনের আগে ফের বড়সড় ভাঙনের মুখে হুমায়ুনের নেতৃত্বাধীন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। পাণ্ডবেশ্বর ও উলুবেড়িয়ার পর এবার ভাঙড়ে বড় ধাক্কা খেল তাঁর দল। দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগে শওকত মোল্লার হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলেন ভাঙড়ের প্রার্থী সীমা ভট্টাচার্য। নতুন দলে যোগ দিয়ে শওকত মোল্লাকে নিজের ‘গুরু’ হিসেবেও মেনে নিয়েছেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনকে তীব্র কটাক্ষ

দলবদলের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন শওকত মোল্লা। কমিশনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে হস্তক্ষেপ করছে দাবি করে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে হয়তো স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে থাকলেও কমিশনের অনুমতি নিতে হবে। তাঁর এই তীক্ষ্ণ মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

ভোটের সমীকরণে সম্ভাব্য প্রভাব

প্রথম দফার নির্বাচনের আগেও হুমায়ুনের দলের চারজন প্রার্থী তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় দফার প্রাক্কালে ভাঙড়ের প্রার্থী সীমার এই দলবদলের ফলে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি আরও মজবুত হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে ধারাবাহিক এই ভাঙন স্থানীয় স্তরের ভোট সমীকরণে শাসকদলকে বাড়তি সুবিধা এনে দেবে এবং বিরোধী শিবিরকে আরও কোণঠাসা করবে।

এক ঝলকে

  • ভাঙড়ে হুমায়ুনের দল ছেড়ে শওকতের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রার্থী সীমা ভট্টাচার্য।
  • প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেও অব্যাহত আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ভাঙন।
  • যোগদান মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা শওকত মোল্লার।
  • নির্বাচনের ঠিক আগে এই দলবদল স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *