ভোটের আগেই জেলায় জেলায় ২৬ পুলিশ কর্তা! শেষ দফার নিরাপত্তায় নজিরবিহীন ‘অপারেশন ক্লিন’ কমিশনের

রাজ্যে শেষ দফার হাইভোল্টেজ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোকে। আগামীকাল ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্য পুলিশ ২৬ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিককে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে মাঠে নামিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই তাঁদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিশনারেট ও জেলায় অফিসারদের বিন্যাস
নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারিতে পুলিশি বিন্যাসে বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে সিদ্ধার্থ দোরজি ও সৌম্যজিৎ রায়ের মতো চারজন আধিকারিককে পাঠানো হয়েছে। চন্দননগরে তিন জন এবং হাওড়া কমিশনারেটে প্রবীণ প্রকাশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বারাসাত, বসিরহাট, বারুইপুর এবং কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলাগুলোতেও দক্ষ অফিসারদের মোতায়েন করা হয়েছে যাতে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা
এবারের নির্বাচনে কোনোভাবেই ভোটারদের ভয় দেখানো বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মূলত বিস্ফোরক উদ্ধার বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকা যেমন ডায়মন্ড হারবার, সুন্দরবন এবং বনগাঁর নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দিয়ে আকাশদীপ গেহলট ও শুভেন্দু মণ্ডলের মতো আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে।
এক ঝলকে
- শেষ দফার ভোটে ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে।
- নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ২৬ জন পুলিশ আধিকারিককে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ব্যারাকপুর, চন্দননগর ও হাওড়া কমিশনারেটসহ মোট ১০টি পুলিশ জেলায় অফিসারদের মোতায়েন করা হয়েছে।
- যেকোনো অশান্তি বা বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।