ডোপ পরীক্ষার হাজিরায় বড় গলদ, এবার নাডার স্ক্যানারে যশস্বী আর শেফালি!

ডোপ পরীক্ষার হাজিরায় বড় গলদ, এবার নাডার স্ক্যানারে যশস্বী আর শেফালি!

ভারতীয় ক্রিকেটের দুই উঠতি তারকা যশস্বী জয়সওয়াল এবং শেফালি বর্মা এক নয়া আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ে ডোপ পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত না থাকার কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় ডোপ বিরোধী সংস্থা (NADA) জানিয়েছে যে, ডোপ টেস্টের জন্য খেলোয়াড়দের আগে থেকে জানানো ‘হোয়্যারঅ্যাবাউটস’ বা অবস্থানের তথ্যে গরমিল মেলায় এই বিপত্তি ঘটেছে। সাধারণত খেলোয়াড়রা কোথায় থাকছেন তা আগে থেকে জানানো বাধ্যতামূলক, কিন্তু এই দুই ক্রিকেটার নির্দিষ্ট সময়ে সেই জায়গায় ছিলেন না।

বিসিসিআই এবং আইসিসি-র দরবারে নাডার অভিযোগ

নাডার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কেবল হদিশ না মেলাই নয়, পরবর্তীতে পাঠানো শোকজ নোটিসেরও কোনো জবাব দেননি যশস্বী এবং শেফালি। এই অসহযোগিতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে নাডা ইতিমধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI) এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (ICC) বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁর জানানো ঠিকানায় না থাকেন, তবে সেটিকে ‘মিসড টেস্ট’ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি ডোপিং বিরোধী নিয়মের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

শাস্তির সম্ভাবনা ও প্রশাসনিক প্রভাব

এই ঘটনার ফলে ক্রিকেট মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হলেও, এখনই এই দুই ক্রিকেটারের কোনো বড়সড় শাস্তির সম্ভাবনা কম। ডোপিং বিরোধী নিয়ম অনুযায়ী, পর পর তিনবার পরীক্ষা মিস করলে তবেই বড় শাস্তির মুখে পড়তে হয় কোনো খেলোয়াড়কে। যেহেতু যশস্বী ও শেফালি একবারই এই ভুল করেছেন, তাই প্রাথমিক সতর্কবার্তাতেই বিষয়টি মিটে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ভারতের দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের নাম ডোপিং বিতর্কে জড়িয়ে পড়ায় বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতীয় দলের ভাবমূর্তি কিছুটা হলেও ধাক্কা খেল। খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব এবং শৃঙ্খলার প্রশ্নে বিসিসিআই-এর ওপর চাপ আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *