দেওরের বিয়ে হতেই মাথাগরম চার সন্তানের জননী বৌদির! নির্জনে ডেকে নিয়ে যা করলেন, জানলে শিউরে উঠবেন

উত্তরপ্রদেশের হারদোই জেলার পালি থানা এলাকায় এক শিউরে ওঠা নৃশংসতার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। দীর্ঘ চার বছরের অবৈধ সম্পর্কের টানাপড়েনে নিজের দেবরের ওপর ব্লেড নিয়ে চড়াও হলেন চার সন্তানের জননী এক নারী। অভিযুক্ত নারী তাঁর ২০ বছর বয়সী দেবর সুধীরের গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় যুবকটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আক্রোশ ও নৃশংস হামলার প্রেক্ষাপট
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুজদেই গ্রামের বাসিন্দা সুধীরের সঙ্গে তাঁর দূরসম্পর্কের এক ভ্রাতৃবধূর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৬ মে সুধীর পারিবারিকভাবে অন্য জায়গায় বিয়ে করেন। প্রেমিকের এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি ওই নারী। প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলে তিনি সুধীরকে গত শনিবার নির্জন এক ফসলের ক্ষেতে ডেকে পাঠান। সেখানে বিবাদের একপর্যায়ে লুকানো ব্লেড দিয়ে সুধীরের ওপর অতর্কিত হামলা চালান তিনি। যন্ত্রণায় চিৎকার করতে করতে সুধীর পালানোর চেষ্টা করলে ওই নারী তাঁকে তাড়া করেন।
ঘটনার মোড় ঘোরানোর চেষ্টা ও তদন্ত
রক্তাক্ত অবস্থায় সুধীরকে রাস্তায় দৌড়াতে দেখে স্থানীয়রা জড়ো হলে অভিযুক্ত নারী তাৎক্ষণিক নিজের বয়ান বদলে ফেলেন। তিনি উপস্থিত জনতার কাছে দাবি করেন, ব্যাংকে যাওয়ার পথে সুধীর তাঁকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিলেন এবং আত্মরক্ষার্থে তিনি এই কাজ করেছেন। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সুধীর ও ওই নারীর মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রণয়ঘটিত সম্পর্ক ছিল এবং বিয়ের কারণে সৃষ্ট আক্রোশ থেকেই এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, নৈতিক অবক্ষয় ও প্রতিহিংসার এই রূপ সমাজের অস্থিরতাকেই ইঙ্গিত করে, যা একটি সাজানো সংসার ও জীবনকে মুহূর্তে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে পারে।