“ঠিকাদারদের টাকা ফেরত দিতে হবে বলেই পালাচ্ছেন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা!” তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/03/01/60kg5W8xEB2Lsd1jcw1l.jpg?w=640&resize=640,360&ssl=1)
কাজের ভয়ে নাকি টাকা ফেরতের আতঙ্কে নিখোঁজ তৃণমূল জনপ্রতিনিধিরা
দুর্গাপুরের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক বৈঠকের পর থেকেই পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলোতে দেখা মিলছে না শাসকদলের জনপ্রতিনিধিদের। এর জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই অচলাবস্থার জন্য সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করে এক বিস্ফোরক দাবি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, ঠিকাদারদের কাছ থেকে নেওয়া কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়ার ভয়েই দলটির জনপ্রতিনিধিরা দপ্তরগুলোতে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন।
পরিষেবা স্তব্ধ ও প্রশাসনের ভূমিকা
জনপ্রতিনিধিদের এই অনুপস্থিতির কারণে গ্রামীণ ও নগর স্তরের দৈনন্দিন নাগরিক পরিষেবাগুলো কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জনপ্রতিনিধিরা না থাকলেও সাধারণ মানুষের কাজ কোনোভাবেই আটকে রাখা যাবে না। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুরসভার কমিশনার এবং ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকদের (বিডিও) সরাসরি ময়দানে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক চাপ ও সম্ভাব্য প্রভাব
মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থান এবং সরাসরি ‘কাটমানি’ ফেরত দেওয়ার তত্ত্ব শাসক শিবিরের ওপর বড়সড় মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করল বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এর ফলে আগামী দিনে স্থানীয় স্তরে প্রশাসনিক কাজের রাশ সম্পূর্ণভাবে আমলা ও সরকারি আধিকারিকদের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সংঘাতের জেরে স্থানীয় স্তরের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর গতি আরও শ্লথ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- দুর্গাপুরের প্রশাসনিক বৈঠকের পর থেকে পঞ্চায়েত ও পুরসভায় তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতির অভিযোগ।
- ঠিকাদারদের থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার ভয়েই তাঁরা আসছেন না বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
- জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নাগরিক পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
- কাজ সচল রাখতে পুর কমিশনার ও বিডিও-দের বিশেষ দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।