দিলী-র দরবারে ‘সৌজন্য’! শুভেন্দুর মুখোমুখি ঋতব্রত, ৪০ সেকেন্ডের আলাপেই শোরগোল

দিলী-র দরবারে ‘সৌজন্য’! শুভেন্দুর মুখোমুখি ঋতব্রত, ৪০ সেকেন্ডের আলাপেই শোরগোল

দিল্লির বঙ্গ ভবনে শুভেন্দু-ঋতব্রত সাক্ষাৎ, রাজনৈতিক জল্পনা উড়িয়ে ‘সৌজন্যের’ বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দিল্লির বঙ্গ ভবনে এক অনভিপ্রেত ও চাঞ্চল্যকর রাজনৈতিক মুহূর্তকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সেখানে আচমকাই দেখা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দুই নেতার মধ্যে মাত্র ৪০ সেকেন্ডের একটি সংক্ষিপ্ত কথোপকথন হয়, যা ঘিরেই শুরু হয়েছে নানামুখী আলোচনা। তবে এই সাক্ষাৎকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং নিতান্তই সৌজন্যমূলক বলে দাবি করেছেন ঋতব্রত।

সংসদীয় প্রক্রিয়া ও বঙ্গ ভবনের মধ্যাহ্নভোজ

নিজের দিল্লি সফরের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, সাংসদ বা এমপি থাকাকালীন দিল্লিতে যে সরকারি বাসভবনটি তাঁর নামে বরাদ্দ ছিল, সেটি ছেড়ে দেওয়ার আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই তিনি এবার সংসদে এসেছিলেন। সেই কাজ শেষ করে দুপুরের খাবার বা মধ্যাহ্নভোজের উদ্দেশ্যে তিনি দিল্লির বঙ্গ ভবনে যান। সেখানেই আগে থেকে উপস্থিত থাকা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখোমুখি হন তিনি।

রাজনৈতিক জল্পনা বনাম সৌজন্যের যুক্তি

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, বঙ্গ ভবনে খাওয়ার সময় খোদ মুখ্যমন্ত্রীই প্রথম তাঁকে ডেকে সম্বোধন করেন। দলের উর্ধ্বে উঠে রাজ্যের একজন মুখ্যমন্ত্রীর ডাক শুনে সৌজন্যের খাতিরেই তিনি ঘুরে দাঁড়ান এবং সংক্ষিপ্ত কথা বলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ খোঁজা বৃথা বলে দাবি করে তিনি স্পষ্ট জানান, রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান তথা মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি এটুকু ন্যূনতম সৌজন্য দেখানো তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্তব্য। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি শিবিরের অন্দরে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

এক ঝলকে

  • দিল্লির বঙ্গ ভবনে বাংলার বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ৪০ সেকেন্ডের এক সংক্ষিপ্ত কথোপকথনে জড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • প্রাক্তন এমপি হিসেবে দিল্লির সরকারি বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার আইনি কাজ সারতে বর্তমানে দেশের রাজধানীতে অবস্থান করছেন ঋতব্রত।
  • বঙ্গ ভবনে খেতে গেলে খোদ মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ডেকে কথা বলেন এবং একজন বিধায়ক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি এই সৌজন্য দেখানো উচিত ছিল বলে জানান ঋতব্রত।
  • এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা ছড়ালেও একে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের এই নেতা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *