বার বার প্রেমে ব্যর্থতা, সংখ্যাতত্ত্বের হাত ধরেই মিলবে সিঙ্গেল দশার আসল কারণ

প্রেমের ময়দানে নামার পরও কি বারবার হোঁচট খাচ্ছেন? অনেক চেষ্টা করেও মনের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক কিছুতেই টিকছে না? অনেকেই এই পরিস্থিতির জন্য ভাগ্য বা পরিস্থিতিকে দায়ী করেন। তবে সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজির বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বারবার হৃদয় ভাঙার নেপথ্যে আসল কারণ লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার জন্মসংখ্যার মধ্যেই। জ্যোতিষশাস্ত্রের এই বিশেষ শাখার দাবি, মানুষের স্বভাবের অনেক কিছুই তাঁর জন্মসংখ্যার ওপর নির্ভর করে, যা পরবর্তীতে সম্পর্কের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
জন্মসংখ্যা অনুযায়ী সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং এর কারণ
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, প্রতিটি সংখ্যার মানুষের চরিত্রে কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকে, যা অবচেতনভাবেই তাঁদের প্রেমের সম্পর্কে জটিলতা তৈরি করে। যেমন, মাসের ১, ১০, ১৯ বা ২৮ তারিখে জন্ম নেওয়া ১ সংখ্যার জাতক-জাতিকারা স্বভাবগতভাবেই নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসেন। সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করার এই আধিপত্যবাদী প্রবণতা অনেক সময় বিচ্ছেদ ডেকে আনে। আবার ২ সংখ্যার মানুষেরা অতিরিক্ত সংবেদনশীল এবং সঙ্গীর ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, যা অন্য পক্ষের জন্য মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ৩ সংখ্যার জাতক-জাতিকাদের প্রেম নিয়ে অতিরিক্ত হালকা চালের মনোভাব বা উদাসীনতা সঙ্গীকে বিরক্ত করে তোলে।
একইভাবে ৪ সংখ্যার মানুষেরা নিজের মনের কথা সহজে প্রকাশ করতে পারেন না, যার ফলে সম্পর্কে মারাত্মক ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। ৫ সংখ্যার জাতকেরা স্বাধীনচেতা হওয়ায় সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি বা কমিটমেন্ট দিতে ভয় পান এবং ৬ সংখ্যার মানুষেরা অতিরিক্ত অধিকারবোধের কারণে সঙ্গীকে হারিয়ে ফেলেন। অন্যদিকে, ৭ সংখ্যার মানুষেরা আবেগের চেয়ে যুক্তিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। ৮ সংখ্যার ক্ষেত্রে অহংবোধ ও জেদ সম্পর্ক নষ্টের মূল কারণ এবং ৯ সংখ্যার জাতক-জাতিকারা অতীত কষ্ট বা পুরনো রাগ ভুলতে না পেরে বর্তমান সম্পর্কে বিচ্ছেদ ডেকে আনেন।
সম্পর্কের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের জন্মসংখ্যা এবং তার নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে সচেতন না হলে এই সিঙ্গেল দশা বা বিচ্ছেদের চক্র থেকে বের হওয়া কঠিন। স্বভাবের এই ত্রুটিগুলো যদি সময়মতো শুধরে নেওয়া না যায়, তবে তা মানুষের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদি একাকীত্বের সৃষ্টি করে। সংখ্যাতত্ত্বের এই বিশ্লেষণকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আচরণের পরিবর্তন ঘটালে ভবিষ্যৎ সম্পর্কগুলোকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হতে পারে।