স্কুলছাত্রের সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’! গাড়িতেই চলত অবাধ যৌনতা, গ্রেফতার শিক্ষিকা

স্কুলছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে জেল হাজতে শিক্ষিকা
অস্ট্রেলিয়ার একটি হাইস্কুলের এক নারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নিজেরই এক ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ৩০ বছর বয়সী ওই শিক্ষিকা টেকলা ব্রেইলির বিরুদ্ধে মাইনর বা নাবালক ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, অশ্লীল বার্তা ও ছবি আদান-প্রদান এবং যৌন নিপীড়নের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা ও ডিজিটাল প্রমাণ
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত জুলাই মাস থেকে স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে ওই ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকা টেকলা ব্রেইলির ব্যক্তিগত যোগাযোগ শুরু হয়। ধাপে ধাপে তা ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয় এবং একপর্যায়ে শিক্ষিকা ওই ছাত্রকে নিজের নগ্ন ছবি ও অশ্লীল ভিডিও পাঠাতে শুরু করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই শিক্ষিকা ছাত্রটিকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেওয়ার পাশাপাশি গাড়িতেও তার সঙ্গে অনৈতিক কাজ করেছেন। এমনকি ঘটনার পর তিনি ছাত্রটিকে জরুরি গর্ভনিরোধক ওষুধও সরবরাহ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আইনি জটিলতা ও ভবিষ্যতের শঙ্কা
গ্রেপ্তারের সময় ওই শিক্ষিকা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং নিজের ক্যারিয়ার ও পারিবারিক জীবন ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, অভিযুক্ত ছাত্র ছাড়াও আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে কেবল একজন ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের প্রমাণ মিললেও, অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে তার আচরণের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনার ফলে ওই শিক্ষিকার পেশাগত জীবন যে চিরতরে শেষ হয়ে যাচ্ছে, তা এখন নিশ্চিত। সমাজ ও শিক্ষাঙ্গনে এমন ঘটনা নৈতিক অবক্ষয়ের চরম নিদর্শন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।