নিজের নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ খোদ দাদুর বিরুদ্ধে!

সম্পর্কের চরম অবক্ষয়! আপন তাতার লালসার শিকার নাবালিকা
মহারাষ্ট্রের বিড় জেলায় এক লজ্জাজনক ও বর্বরোচিত ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে পরিবারের সুরক্ষা বলয় ভেঙে নিজেরই নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আপন তাতার বিরুদ্ধে। ঘটনায় হতবাক স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী।
বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে জঘন্য অপরাধ
ঘটনার সূত্রপাত বিড় জেলার নেক্কনূর থানা এলাকার একটি গ্রামে। ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী তার দাদা ও দাদির কাছে থাকত। বাবা-মা কাজের সন্ধানে বাইরে থাকায় সে দাদির আশ্রয়েই ছিল। সম্প্রতি দাদি ও ভাইবোনেরা যখন গবাদি পশু চড়াতে মাঠে যান, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত দাদা বাড়িতে একা থাকা নাতনিকে শারীরিক নির্যাতনের শিকার করে। ঘটনার পর মুখ বন্ধ রাখতে কিশোরীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।
চিকিৎসকের তৎপরতায় ফাঁস চাঞ্চল্যকর তথ্য
শারীরিক যন্ত্রণায় কাতর কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকের সন্দেহের কারণে পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভুক্তভোগী জানায়, কেবল দাদা নয়, গত দেড় বছর ধরে পরিবারেরই আরেক নিকটাত্মীয় তাকে যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পোসকো (POCSO) আইনে মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যজনকে ধরতে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে নেক্কনূর পুলিশ।
সামাজিক প্রভাব ও দায়বদ্ধতা
পরিবার যেখানে নিরাপত্তার কেন্দ্র হওয়ার কথা, সেখানে এমন জঘন্য ঘটনা সামাজিক নৈতিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সমাজকর্মী। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে যে, পারিবারিক পরিমণ্ডলেও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতনতার অভাব কতটা ভয়াবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।