H-1B ও L-1 ভিসায় ট্রাম্পের কোপ: নবায়নেও গুনতে হবে অতিরিক্ত মাশুল, সংকটে ভারতীয় টেককর্মীরা!

H-1B ও L-1 ভিসায় ট্রাম্পের কোপ: নবায়নেও গুনতে হবে অতিরিক্ত মাশুল, সংকটে ভারতীয় টেককর্মীরা!

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের কাজের সুযোগ আরও কঠিন ও ব্যয়বহুল করার উদ্যোগ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এবার H-1B এবং L-1 ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর (Renewal / Extension) ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ফি চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে কর্মরত হাজার হাজার ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং তাঁদের নিয়োগকারী সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক চাপের মুখে পড়তে যাচ্ছে।

ঠিক কী পরিবর্তন আনা হচ্ছে?

বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন কো ম্পা নিকে নতুন H-1B বা L-1 ভিসা আবেদন কিংবা চাকরি পরিবর্তনের সময় ‘9/11 রেসপন্স অ্যান্ড বায়োমেট্রিক এন্ট্রি-এক্সিট ফি’ বাবদ অতিরিক্ত অর্থ জমা দিতে হয়।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (DHS) নতুন নিয়মে স্পষ্ট করেছে যে, এই অতিরিক্ত ফি শুধু নতুন ভিসার ক্ষেত্রে নয়, বরং ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর (Extension) সব আবেদনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। ফলে বিদ্যমান কর্মীদের যুক্তরাষ্ট্রে রেখে দিতে হলেও কো ম্পা নিগুলোকে বাড়তি টাকা গুনতে হবে।

কাদের ওপর প্রভাব পড়বে?

যেসব মার্কিন সংস্থায় অন্তত ৫০ জন কর্মী রয়েছেন এবং মোট কর্মীবাহিনীর ৫০ শতাংশেরও বেশি H-1B বা L-1 ভিসা দিয়ে পরিচালিত, মুলত তারাই এই নিয়মের আওতায় আসবে।

  • H-1B ভিসা: প্রতি আবেদন এক্সটেনশনে অতিরিক্ত $৪,০০০ ডলার দিতে হবে।
  • L-1 ভিসা: প্রতি আবেদন এক্সটেনশনে অতিরিক্ত $৪,৫০০ ডলার দিতে হবে।

যেহেতু মার্কিন টেক সেক্টরে কর্মরত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের মধ্যে বড় একটি অংশই ভারতীয় নাগরিক, তাই তাঁদের কো ম্পা নিতে ধরে রাখার খরচ একধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে।

মূল প্রভাব: যদিও এই বাড়তি ফি কর্মীদের সরাসরি দিতে হবে না—সংস্থাগুলোই এই খরচ বহন করবে—তবুও খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে আইটি কো ম্পা নিগুলো নতুন কর্মী নিয়োগ ও পুরোনো কর্মীদের মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে। এর ফলে ভারতীয় আইটি পেশাদারদের কর্মসংস্থান ও স্থায়িত্বে বড়সড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *