‘কাল কী হবে জানি না’, দল ভাঙার জল্পনায় মুখ খুললেন বহিষ্কৃত ঋতব্রত

তৃণমূল ভাঙার জল্পনায় জল ঢাললেন ঋতব্রত!
রাজ্য রাজনীতিতে যখন শাসকদল ভাঙার নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলছে, ঠিক তখনই এক ভিন্ন সুর শোনা গেল বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জির গলায়। মঙ্গলবার বিধানসভা থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি উড়িয়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ৫০ বিধায়ককে নিয়ে দল ভাঙার সম্ভাবনা। নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে রহস্য বজায় রেখে ঋতব্রত স্পষ্ট জানালেন, তিনি বর্তমানে বিশ্বাসী এবং ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
ব্যক্তিগত কাজ না কি রাজনৈতিক কৌশল
বিধানসভায় তার উপস্থিতি প্রসঙ্গে ঋতব্রত দাবি করেছেন, তিনি কেবল ব্যক্তিগত কাজের জন্য এসেছিলেন। তবে তার এই দাবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে। বিশেষ করে, যখন তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন যে আগামী বুধবার কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া জেলা নিয়ে আয়োজিত শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি উপস্থিত থাকছেন।
রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন হিসাব
ঋতব্রতর এই অবস্থান পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে রাজ্য রাজনীতির জটিল সমীকরণ। একদিকে শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত নেতাদের নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরির জল্পনা, অন্যদিকে বিরোধী দলনেতার প্রশাসনিক বৈঠকের প্রতি তার আগ্রহ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। যদি কোনো বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে, তবে তার প্রভাব পড়বে আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে এবং শাসকদলের সাংগঠনিক ভিতের ওপর। আপাতত ঋতব্রতর এই ‘আজ ও কাল’-এর হিসাবের আড়ালে কী রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ লুকিয়ে আছে, তা দেখার অপেক্ষায় পর্যবেক্ষকরা।