বারাসাত কলেজে বিধায়কের কড়া পদক্ষেপ, বাতিল ৩ ভুয়ো কর্মীর চাকরি

বারাসাত কলেজে বিধায়কের কড়া পদক্ষেপ, ভুয়ো কর্মীদের চাকরি গেল
বারাসাত কলেজে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিলেন বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়। কলেজ কর্তৃপক্ষের নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখার পর তিন জন ভুয়ো কর্মীকে শনাক্ত করা হয়েছে, যারা বাস্তবে কোনো কাজ না করেই নিয়মিত সরকারি বেতন ভোগ করছিলেন। এই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্তদের আগামী ১ জুন থেকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতির মূলে আঘাত
বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায় জানান, এই কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার দায়িত্ব পালন না করেও সরকারি কোষাগার থেকে বেতন তুলে আসছিলেন, যা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক শৃঙ্খলাকে চরম ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিষয়টিকে তিনি গত প্রশাসনের ‘ভুয়ো সংস্কৃতি’ হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের বৃহত্তর লড়াইয়েরই একটি অংশ। অবৈধ নিয়োগ ও সরকারি অর্থের নয়ছয় রুখতে তিনি আগামী দিনে আরও কঠোর নজরদারির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
নবীন বরণের আড়ালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত
শুধু ভুয়ো কর্মী নিয়োগই নয়, বরং কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানের নামে কোটি টাকা নয়ছয় করার বিষয়টিও বিধায়কের নজরে এসেছে। এই বিষয়ে তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। শংকর চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ অর্থ বা প্রতিষ্ঠানের তহবিল তছরুপের প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করা হবে। কলেজের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং অনিয়মের সাথে জড়িত কাউকেই যে রেহাই দেওয়া হবে না, সেই বার্তা দিয়ে তিনি পুরো বিষয়টি প্রশাসনিক গুরুত্বের সাথে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন।