অভিষেক কি গ্রেফতারির পথে? দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্যে শোরগোল

অভিষেকের গ্রেফতারি কেবল সময়ের অপেক্ষা! দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি
তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে। ইডি এবং সিআইডি-র পক্ষ থেকে একাধিক তলব এবং বাড়িতে নোটিশ পাঠানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, তিনি কি যেকোনো মুহূর্তে গ্রেফতার হতে পারেন? এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পর। বৃহস্পতিবার প্রাতঃভ্রমণ শেষে দিলীপ ঘোষ সরাসরি দাবি করেন, আইনের হাত থেকে বাঁচার সব পথই প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
আইনি বেড়াজালে কোণঠাসা অভিষেক
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগের তদন্ত করছে ইডি। এই মামলায় আগামী ১৫ জুন তাকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার সই জাল সংক্রান্ত একটি মামলায় সিআইডি তাকে ৮ জুন তলব করেছে। এর আগেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ালেও কেন্দ্রীয় ও রাজ্য তদন্তকারী সংস্থাগুলো এবার তৎপর হয়ে উঠেছে। এমনকি কলকাতা পুরসভার তরফ থেকেও তার বাড়ির কিছু অংশ বেআইনি মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যদিও হাইকোর্টে তিনি সাময়িক স্বস্তি পেয়েছেন।
তদন্তের প্রভাব ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
তদন্তকারী সংস্থাগুলোর এই সক্রিয়তা এবং দিলীপ ঘোষের মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিকের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দিলীপ ঘোষ অতীতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অনুব্রত মণ্ডলের উদাহরণ টেনে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, অসুস্থতার দোহাই দিয়ে দীর্ঘ সময় আইনি প্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকা সম্ভব নয়। তার মতে, শেষ পর্যন্ত হাজতবাসই দস্তুর। এই পরিস্থিতি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য একদিকে যেমন আইনি লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে এই চাপ দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও দুর্বল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।