তাজপুর নয়, ১০ কিমি দূরে দাদনপাত্রঘাটে হবে গভীর সমুদ্রবন্দর: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

তাজপুর নয়, ১০ কিমি দূরে দাদনপাত্রঘাটে হবে গভীর সমুদ্রবন্দর: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

তাজপুর নয় দাদনপাত্রঘাটে হবে নতুন গভীর সমুদ্রবন্দর

তাজপুর সমুদ্রসৈকতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে এল রাজ্য সরকার। পর্যাপ্ত জমির অভাব এবং পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে এই প্রকল্প তাজপুর থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে দাদনপাত্রঘাটে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই এই পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছেন।

দাদনপাত্রঘাটে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি

তাজপুরে পর্যাপ্ত জমির অভাব থাকায় আদানি গোষ্ঠীর মতো বড় শিল্পোদ্যোক্তারাও এই প্রকল্প থেকে সরে এসেছিল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বন্দর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল পরিমাণ জমির সংস্থান তাজপুরে নেই। সেই তুলনায় দাদনপাত্রঘাটে রাজ্য সরকারের হাতে ১৭০০ একর জমি রয়েছে, যা একটি গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির জন্য আদর্শ। কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর ইতিমধ্যে এই নতুন স্থানের জন্য প্রয়োজনীয় সম্মতিও পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যের দাবি, দাদনপাত্রঘাটে বন্দর নির্মাণ হলে তা আরও বেশি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর হবে।

পরিকাঠামোগত প্রভাব ও অন্যান্য উন্নয়ন

এই প্রকল্পের স্থান পরিবর্তনের ফলে বন্দরের পরিকাঠামো নির্মাণে গতি আসবে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন। নতুন এই বন্দরকে ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি উপকূলীয় শিপিং এবং বন্দর সংযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, দ্বিতীয় পর্যায়ের সাগরমালা প্রকল্পে রাজ্যের অন্তর্ভুক্তি এবং ২২,৭০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত পরিকল্পনা উপকূলীয় পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে গঙ্গা তীরবর্তী জেটিগুলোর সৌন্দর্যায়ন এবং দখল হওয়া জমি উদ্ধারের মাধ্যমে কলকাতার বন্দর এলাকাকেও নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *