বিয়ের পর সম্পর্কে অনীহা চরম মানসিক নির্যাতন! জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বিয়ের পর কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া ক্রমাগত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকার করাকে চরম ‘মানসিক নির্যাতন’ বলে আখ্যা দিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি একটি বিবাহ বিচ্ছেদ মামলার শুনানি চলাকালীন দেশের সর্বোচ্চ আদালত এই তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণটি করেছে।
বিয়ের ভিত্তিতে আঘাত
শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক সম্মতি ও সুস্থ শারীরিক সম্পর্কের একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ক্রমাগত যৌনতায় বা শারীরিক সম্পর্কে অস্বীকার করা স্বামী বা স্ত্রী—যাঁর ক্ষেত্রেই ঘটুক না কেন, তা প্রবল মানসিক কষ্ট ও যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ভারতীয় আদালতগুলি ইতিপূর্বেও বারবার উল্লেখ করেছে যে, অকারণে শারীরিক সম্পর্কে এই অনীহা একটি বৈবাহিক সম্পর্কের মূল ভিত্তিকেই গভীরভাবে দুর্বল করে দেয়।
মামলার সম্ভাব্য প্রভাব
সুপ্রিম কোর্টের এই স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ আগামী দিনে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলাগুলির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি মাপকাঠি হিসেবে কাজ করবে। যে সব দাম্পত্য কলহে কেবল শারীরিক সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে অস্বীকৃতিই বিবাহ বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ, সেখানে এই আইনি অবস্থান বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে। ফলস্বরূপ, দাম্পত্য অধিকার বজায় রাখা এবং মানসিক নির্যাতনের হাত থেকে আইনি সুরক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের এই বার্তা সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।